শিক্ষাঙ্গনে হিন্দুত্ববাদ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে : আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ লোগোবাংলাদেশের প্রত্যেক স্থলে হিন্দুত্ববাদ কায়েম করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমীর দেশের শীর্ষ আলেম আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মঈনুদ্দীন রুহী।

আজ এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ অভিযোগ করেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, আজকে বাংলাদেশের প্রত্যেক স্থলে হিন্দুত্ববাদ কায়েম করা হচ্ছে, দেশের শিক্ষাঙ্গন কে ধ্বংস করা হচ্ছে, মুসলমানদের ছেলে মেয়েদেরকে সংষ্কৃতির নামে অপসাংস্কৃতি ও হিন্দুত্ববাদ শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পাঠ্যবই পুস্তকে হিন্দুুদের দেবী পূজা হিন্দু রাজাদের কিচ্ছা কাহিনী হিন্দু পন্ডিতদের কাল্পনিক ধারণা এমন কি মুসলমানদের রীতিনীতির বিপরীত হিন্দুত্ববাদ শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ডি.সি, এস.পি, ও.সি, চেয়ারম্যান ও এম.ডি থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান ডিপার্টম্যান পর্যন্ত হিন্দুদেরকে প্রসাশক হিসাবে বসানো হয়েছে। যা তৎকালিন ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর চক্রান্তই ছিল।

তারা বলেন, ৯২%মুসলমানদের বাংলাদেশে সংখ্যালগু হিসাবে তারা তাদের রাজনৈতিক অধিকার এবং সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করুক আমরা তারেকে নিশ্চিত ভাবে সৌহার্দপূর্ণ ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে রাখতে চাই। তবে ইসলাম ও মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে ছিনিমিনি খেলা কোন অবস্থায় মেনে নেয়া যায় না।

নেতৃত্বদ্বয় বলেন, স্কুল কলেজে আমাদের ছেলে মেয়েদের ইসলামী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বর্তমান শিক্ষা কমিশন, তারা ইসলামী ভাবধারা মূল্যবোধের স্থানে হিন্দুত্ববাদ শিক্ষা দিচ্ছে তাই আজকে এক মুখী শিক্ষা নীতির নামে ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের চেষ্ঠা করতেছে।
এ শিক্ষানীতির মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদকে চেপে দেয়া হলে একদিন দেশে হিন্দুত্ববাদ কায়েম হবে। মূলত আজকে দূরবিসন্ধী পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষাঙ্গনে হিন্দুত্ববাদ চেপে দেওয়া হচ্ছে। তাই আজকে দেশের ওলামায়ে কেরাম ও সচেতন মুসলিম সমাজের একটাই দাবি ধর্মহীন শিক্ষানীতি ও ইসলাম বিনাশী শিক্ষা আইন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, নারায়ণগঞ্জের সাংসদ সেলিম উসমান খোদা দ্রোহী শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে শাস্তি দিয়ে প্রকৃত মুসলমানের কাজ করেছে, আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই। যারা আজকে ঐ হিন্দু শিক্ষককে রক্ষার জন্য চেষ্ঠা করতেছে তারা আদৌ মুসলিম কিনা সন্দেহ আছে। সরকারের যে সব মন্ত্রিরা আল্লাহর সাথে কটুক্তিকারী শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের পক্ষ নিয়ে সেলিম উসমানের চরিত্র হনন করে যাচ্ছে। তাদের সম্পর্কে দেশের মানুষ সজাগ আছে।

আমরা তাদের উদ্দেশ্যে পরিস্কার করে বলে দিতে চাই এসব বিষয় নিয়ে কোন ধরনের নোংরা রাজনীতি বরদাশ্ত করা হবে না। অবিলম্বে খোদাদ্রোহী শিক্ষকের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।