কওমী মাদরাসা জাতির শান্তি ও মুক্তিতে অনন্য অবদান রাখছে : মাওলানা মজদুদ্দীন

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


জামেয়া নূরীয়া ইসলামিয়া ভার্থখলা সিলেটের প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা মজদুদ্দীন আহমদ বলেছেন, কওমী মাদরাসা জাতির শান্তি ও মুক্তিতে অনন্য অবদান রাখছে। এসব মাদরাসায় কুরআন ও হাদীসের জ্ঞান শিক্ষা দেয়া হয়। কুরআন-হাদীসের সঠিক ব্যাখ্যাও ছাত্রদের মধ্যে তার অনুশীলনের মাধ্যমে যুগ যুগ ধরে এমন কিছু সংখ্যক লোক তৈরী করে আসছে যারা কুরআন হাদীসের খেদমত, ইমামতি ও খতিবগিরী, তাফসীরুল কুরআন, ওয়াজ, নছিহত, দাওয়াত ও তাবলীগ, পীর-মুরিদী তথা তাযকিয়ায়ে নাফসের মেহনতের মাধ্যমে জাতিকে খেদমত করে যাচ্ছেন। যে খদমতের কারণে সমাজে খোদভীতি, মানবতা, শান্তি-শৃংখলা বিরাজ করছে। যা রাষ্ট্রীয় কোন বাহিনীর মাধ্যমে সম্ভব নয়। সমাজের শান্তি ও শৃংখলা রক্ষায় কওমী মাদরাসার অবদান কোন ভাবেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। কওমী মাদরাসার সেই ধারাকে আরো বেগবান করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি গতকাল ২ মার্চ শুক্রবার জামেয়া নূরীয়া ইসলামিয়া ভার্থখলা সিলেটের দু’দিনব্যাপী ইসলামী মহাসম্মেলনের ১ম দিনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সম্মেলনের ১ম দিনে সিলেট বিভাগ ভিত্তিক কেরাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতার বিচারক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুরআন প্রশিক্ষণ বোর্ডের মহাপরিচালক কারী মাওলানা মুজ্জাম্মিল হুসাইন চৌধুরী, আল কুরআন পরিষদের পরিচালক কারী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, খোজারখলা মারকাজ মাদরাসার মুহতামিম হাফিজ মাওলানা শামসুল ইসলাম, কুদরত উল্লাহ হাফিজিয়া মাদরাসার শিক্ষক হাফিজ আব্দুল ওয়াহিদ। বাদ এশা জামেয়ার মেধাবী ছাত্র ও কেরাত প্রতিযোগিতায় ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারীদের মধ্যে আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

জামেয়ার সহ শিক্ষা সচিব মাওলানা শামসুদ্দীন মু. ইলয়াছ, মুহাদ্দিস মাওলানা মুহিব্বুর রহমান ও শিক্ষক হাফিজ মাওলানা মাহফুজুর রহমানের যৌথ পরিচালনায় সম্মেলনে বয়ান পেশ করেন, শায়খুল হাদীস আল্লামা নূরুল ইসলাম খান, আন্তর্জাতিক মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা জুবায়ের আহমদ আনছারী, জামেয়ার সহ শায়খুল হাদীস মাওলানা আব্দুর রহীম, মুহাদ্দিছ মাওলান নাজিমুদ্দীন।
২য় দিনে প্রধান বক্তা হিসাবে বয়ান পেশ করবেন পীরজাদা মীর মাওলানা হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ বাহার, মাওলানা সাইফুল ইসলাম ঢাকা।

আজ ৩ মার্চ শনিবার বিকাল ২টা থেকে সারারাত্রি বয়ান হবে। বাদ ফজর আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে সম্মেলন সমাপ্ত হবে ।