ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ধুলাবালিতে জনযাত্রায় চরম দুর্ভোগ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | এম নুরুল্লাহ আল মানসুর


দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী শহর ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা, সেখানে অসংখ্য বিখ্যাত মানুষ ও দর্শনীয় স্থান রয়েছে ৷ সে হিসেবেই পর্যটকদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতি রয়েছে বিশেষ আগ্রহ ৷ কিন্তু বর্তমানে এই সুন্দর শহরের প্রধান সড়ক ও হাইওয়ে রোডসহ পৌর এলাকা এবং বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাটের অনেকটাই বেহাল দশা। নাক চেপে দ্রুত হাঁটতে হয় মানুষকে। তবে ঝড়ের সময়ের নয়, এটাই সড়ক গুলোর নিত্যদিনের চিত্র। যানবাহন গেলেই ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে চারদিক। রাস্তার এক পাশ থেকে অন্য পাশের কিছুই দেখা যায় না ধুলাবালির জন্য ৷

নিশ্বাস নিতেও কষ্ট হয় মানুষের। এমনকি গাড়ির চালকেরাও সামনে ঠিকমতো দেখতে পারেন না। বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ রাস্তাঘাটের বেহাল দশা দেখে মনে হয় যেন এটা জনপ্রতিনিধিহীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া!
নিত্যপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষকে সারা পথ ধুলাবালির সঙ্গে যুদ্ধ করে চলতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। শহরবাসী নিরুপায়, বাধ্য হয়ে প্রচণ্ড ধুলাবালির মধ্যে যাত্রী ও পথচারীরা চোখ মুখ বন্ধ করে চলাচল করছে। শহরের সর্বত্র এখন ধুলাবালিতে একাকার। একটু বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় আর এখন শুষ্ক মৌসুমে ধুলোর দূর্ভোগে মানুষ।

এ-বিষয়ে সেনা কল্যান সংস্থা লিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জোনের ডিপো ম্যানেজার আহমদুল্লাহ বলেন, শহরের ভিতরের প্রায় সবখানেই প্রচুর ধুলোবালির মধ্যদিয়ে আমাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। সড়ক গুলোর যে পরিবেশ এতে চলাচল করাই কঠিন। পুরো শহর ধূলোর শহরে পরিণত হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিক্ষক পল্লীর ক্যাশিয়ার, মাহবুবুর রহমান বলেন, রাস্তার পার্শে আমার অফিস, কিন্তু ধুলোবালির জন্য অস্থিরতার মধ্যেই দিন পার করতে হয় ৷
এখানকার বাসা-বাড়ি দরজা-জানালা সারাদিন বন্ধ করে রাখতে হয়। সড়কের পাশে বসবাসরত বাসিন্দারা ধুলোর জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।

ডেল্টা ডায়াগনষ্টিক হাসপাতালে চাকুরীজীবি জিল্লুর রহমান বলেন, এখন শহরে স্বাস কষ্ট ও সর্দীর রুগী প্রতিনিয়ত বেড়ে যাচ্ছে। নতুন কেউ শহরে এলে অনেকেই ধুলোবালির কারনে স্বাস কষ্ট ও সর্দীয় আক্রান্ত হয়ে যায়