১লা এপ্রিল পালন করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান চরমোনাই পীরের

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


ফাইল ছবি

মুসলিম নিধনের মর্মান্তিক ইতিহাস ১লা এপ্রিল পালন করা থেকে বিরত থাকার জন্য দেশবাসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।

আজ এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৪৯২ সালের এই সময়ে কোনো এক ‘পহেলা এপ্রিলে’ রাণী ইসাবেলা কর্তৃক মুসলমানদের চরম ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে ঘোষণা দিয়ে বলে যদি বাচঁতে চাও কর্ডোভার জামে মসজিদে সমবেত হলে প্রাণভিক্ষা দেয়া হবে। অতঃপর এই বলে সম্মিলিত হাজার হাজার আলেম উলামা, সাধারণ মুসলমান, নারী-শিশু, বৃদ্ধ ও নিরীহ নাগরিকগণ মসজিদে অবস্থান নিলে তাদেরকে অগ্নিসংযোগ করে পৈশাচিকভাবে হত্যা করা হয়। কোন কোন বর্ণনায় আছে জাহাজে চড়ে আফ্রিকার আরব মুসলিম ভূখন্ডে চলে যাওয়ার সুবিধা দেয়ার নামে ফুঠো জাহাজে চড়িয়ে ভূমধ্যসাগরে ডুবিয়ে কিংবা জাহাজটিকে নিষ্ঠুরভাবে আগুনে পুড়িয়ে শহীদ করা হয় লাখো লাখো মুসলমানকে। খৃষ্ট জগতে বা মুসলিমবিদ্ধেষী খৃষ্টান রাজরানীর এ আনন্দঘন পৈশাচিকতার ঐতিহাসিক স্বারক দিবসই হচ্ছে পাশ্চত্য সংস্কৃতির ‘এপ্রিলফুল’। তারা পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল মুসলমানদের নাম নিশানা। মানবতার দুশমনরা পৃথিবী থেকে মুসলমান শূন্য করতে এহেন চক্রান্ত নেই যা তারা করেনি। মুসলিম হত্যার নির্মম এই এপ্রিল ফুল মুসলমান পালন করতে পারে না। এদিনে জাতীয় শোক পালন করা উচিত।

চরমোনাই পীর আরো বলেন, মুসলিম ইতিহাসের চরম এই দিনে মুসলমানের অনেক সন্তান ইহুদিদের চক্রান্তের শিকার হয়ে অনেক ক্ষেত্রে না বুঝে এপ্রিল ফুল পালন করে মানুষকে চরম ধোকা দিয়ে আসছে। তিনি বলেন, কোন ঈমানদার অমুসলিমদের অতলগহ্বরে নিজেদের সোনালী ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না। এই দিবসকে ধোকা দিবস হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত।