স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ছিলনা

মুফতী হারুন ইজহার চৌধুরী | সোস্যাল মিডিয়া ডেস্ক


১০ এপ্রিল ১৯১৭ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে ছিলনা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ,সমাজতন্ত্র আর বাঙালি জাতীয়তাবাদ।
ঘোষণাপত্রে সুস্পষ্ট ভাবে যা বলা আছে তা হলো ;

আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আমাদের সমবায়ে গণপরিষদ গঠন করে পারষ্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে
বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা করছি….”
কত পরিস্কার ভাবে এশব্দগুলো উল্লেখ হয়েছে-
সাম্য
মানবিক মর্যদা
সামাজিক ন্যায়বিচার

অথচ সেখানে আজ প্রতিস্থাপিত হলো সেন্টিমেন্ট পরিপন্থী নানা মিথ যার বেশীর ভাগই এখন সভ্যতার আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র

নিম্মে উইকিপিডিয়ার সৌজন্য উক্ত ঘোষণাপত্রের ইতিহাস তুলে ধরছি সংক্ষিপ্ত ভাবে :

প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত একটি ঘোষণাপত্র। যতদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলেছে ততদিন মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে এই ঘোষণাপত্র কার্যকর ছিল। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পরও এই ঘোষণাপত্র সংবিধান হিসেবে কার্যকর ছিল। ১৯৭২ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর তারিখে যখন দেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হয় তখন সংবিধান হিসেবে এর কার্যকারিতার সমাপ্তি ঘটে।


প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম -এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখকের মতামতের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না ইনসাফ কর্তৃপক্ষ।