রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মসজিদ উচ্ছেদ কার স্বার্থে? : মাওলানা মামুনুল হক

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | সোস্যাল মিডিয়া ডেস্ক

মাওলানা মামুনুল হক


আজ ১৬ এপ্রিল কুতুপালং রোহিঙ্গাক্যাম্পের জন্য একটি কালো দিন৷ বাংলাদেশের দূর্ভাগ্যের দিন ৷আর আমাদের জন্য বেদনায় দেহ-মন নীল হওয়ার দিন ৷ দীর্ঘ সাতমাসের অক্লান্ত পরিশ্রম, শরীরের ঘাম আর চোখের অশ্রু এক করে তিলে তিলে গড়ে তোলা হয়েছিল শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক মসজিদ ৷ মধুর ছড়ার খালের পাশে গড়ে ওঠা এই মসজিদটি কুতুপালং ক্যাম্পে “মারকাজ মসজিদ” নামে পরিচিতি লাভ করেছে ৷ এই মসজিদটিকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা মুহাজিরদের প্রায় চল্লিশটি মসজিদ, মক্তব ও পাঁচটি মাদরাসার কার্যক্রম চলছে ৷ দৃষ্টিনন্দন নকশা আর সুবিশাল পরিসরের মসজিদটি তাই কুচক্রীদের নজরে পড়তে সময় লাগেনি ৷ ওরা বুঝে নিয়েছে, এই মসজিদকে কেন্দ্র করে দাওয়াত ও তালীমের পরিকল্পিত কাজ চলছে ৷ আর তাই মসজিদটি উচ্ছেদ করতে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমে পড়ে এনজিও গোষ্ঠী ৷ আজ সকাল ১০টায় অতর্কিতে মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলতে আরম্ভ করে ওরা ৷
মসজিদটি যাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, তাদেরকে কোনো ধরনের অবগতি কিংবা মসজিদটি সরিয়ে অন্যত্র কোথাও গড়ে তুলবার কোনো সুযোগ না দিয়ে এভাবে হঠাৎ হামলে পড়ার মাধ্যমে দুরভিসন্ধির আলামত স্পষ্ট ফুটে উঠেছে৷

আমরা এই ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপের তীব্রপ্রতিবাদ জানাই ৷ এই উচ্ছেদ কার্যক্রম মানি না ৷ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি ৷ আজ বাদ আছর মোহাম্মাদপুর আল্লাহ করিম মসজিদ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল হবে ৷ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক ৷ এটি আমাদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ৷ আমি এই মুহুর্তে ওমরার সফরে পবিত্র বাইতুল্লাহর শহর মক্কায় অবস্থান করছি ৷ কাবার রবের কাছে এই ঘৃণ্য অপতৎপরতার বিরুদ্ধে নালিশ দায়ের করছি ৷ দেশে ফিরে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধআন্দোলনে শামিল হব ইনশাআল্লাহ ৷


ফেসবুক থেকে