৩০ জনকে ডিঙ্গিয়ে বিচারক নিয়োগ

হাইকোর্ট৩০ জন বিচারপতির জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। একই সঙ্গে তারা উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে নীতিমালা প্রণয়নে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এতে বক্তব্য দেন সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন ও সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, গতকাল রোববার আপিল বিভাগে যে তিনজন বিচারপতিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে দুজনকে নিয়োগে অন্তত ৩০ জন বিচারপতির জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এ জন্য তাঁদের নিয়োগে আইনজীবীসহ মানুষের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ জন্য তিনি উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।

মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, যদি নীতিমালা থাকত, তাহলে সরকার পিক অ্যান্ড চুজ পলিসি ব্যবহার করে বিচারক নিয়োগ দিতে পারত না। সম্প্রতি আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর কর্মকাণ্ড অনভিপ্রেত। তিনি রাজনৈতিক মিছিলেও যান, টক শোতেও যান, আবার প্রধান বিচারপতি সম্পর্কে নানা ধরনের মন্তব্য করে বিচার বিভাগকে বিতর্কিত করেন। তিনি যে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন, অবসরে যাওয়ার পর সেটা দেখা গেছে। তাঁকে আদৌ বিচারপতি করা উচিত হয়নি।

গতকাল রোববার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার, বিচারপতি মো. নিজামুল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমানকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আজ সকাল ১০টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নবনিযুক্ত তিন বিচারপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান।