প্রথম আযানের ধ্বনি উঠেছে বকশীগঞ্জের মসজিদে নূরে

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ওসমান হারুনী,জামালপুর প্রতিনিধি


জামালপুরের বকশীগঞ্জ সরকারী জেনারেল হসপিটাল সংলগ্ন আধুনিক দৃষ্টিনন্দন “মসজিদে নূর”  ১১ মে শুক্রবার প্রথম জুম’আর নামাজের আহবান আযানের মধ্যদিয়ে উম্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

পবিত্র মাহে রমযানকে সামনে রেখে শুক্রবার দোয়া মাহফিল ও জুম’আর নামাজ আদায়ের মধ্যদিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য মসজিদটি উম্মুক্ত করে দেয়া হয়। জুম’আর নামাজের ইমামতি করেন মাওলানা বেলাল হোসেন।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসান সিদ্দিক,থানার অফিসার ইনচার্জ আসলাম হোসেন,সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মফিজ উদ্দিন,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফখরুজ্জামান মতিন,উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক মোফাখ্খার হোসেন খোকন, পৌর যুবলীগের আহবায়ক নজরুল ইসলাম সওদাগর,মুক্তিযোদ্ধা সুজাত আলী,মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন খান,মুক্তিযোদ্ধা আফছার আলী,শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ,বাবুল চিশতী ইন্ডাষ্টিয়াল পার্কের জেনারেল ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম মাতুব্বর,প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মনিরসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, বিশিষ্ট শিল্পপতি বকশীগঞ্জ জুট মিল ও ইন্ডাষ্টিয়াল পার্কের কর্ণধার বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল হকের নিজস্ব অর্থায়ন ও ব্যাবস্থাপনায় পৌর শহরের চরকাউরিয়া পাখিমারা এলাকায় প্রায় চার একর জায়গার উপর ২০১৬ সালের মার্চ মাসে আধুনিক দৃষ্টিনন্দন মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। বিদেশী এক আর্কিটেক্ট মসজিদটির ডিজাইন করেন। মার্বেল পাথরসহ বিভিন্ন পাথরে কারুকার্জ দ্বারা নির্মিত দু’তলা বিশিষ্ট এ মসজিদের জন্য রয়েছে আলাদা অজুখানা।

এই মসজিদে একসাথে ৪ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ ও পানির সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে নিজস্ব জেনারেটর ব্যবস্থাও। আধুনিক ওজুখানা, ফ্যান ছাড়াও রয়েছে ১৮ টি ১.৫ টন ক্ষমতা সম্পূর্ন এসি,এবং শেত পাথরের টাইল্স ও কার্পেট বিছানো।

এছাড়াও মসজিদের চারপাশে ফুলের বাগান তৈরি করে দৃষ্টি নন্দনের কাজ চলছে। পৌর শহরের প্রানকেন্দ্রে দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটিকে ঘিরে মানুষের আগ্রহের যেন শেষ নেই। নানা রং ও নিপুন কারুকাজ আর সৌর্ন্দয্য মন্ডিত মসজিদটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।

উল্লেখ্য এই মসজিদকে ঘিরে একটি এতিম খানা, বৃদ্ধাশ্রম, মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মাহবুবুল হক বাবুল নিজস্ব অর্থায়নে এসব প্রতিষ্ঠান করছেন।