গর্ভনিরোধক বর্জন করে আমরা আমাদের বংশধরদের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি করবো: এরদোগান

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট 


তুরস্কের প্রেসিডেন্ট  রজব তাইয়েব এরদোগান বলেন, ‘জন্ম নিয়ন্ত্রণ বা পরিবার পরিকল্পনার বিষয়টি বিবেচনা করা কোনো মুসলিম পরিবারের জন্য উচিত নয়।’ পরিবার পরিকল্পনা এবং গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা মুসলিম পরিবারের জন্য নয় মন্তব্য করেন তিনি। সোমবার ইস্তাম্বুলে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মুসলিমদের আরো বেশি করে সন্তান নেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন েএবং বলেছেন আমরা আমাদের বংশধরদের সংখ্যা বহুগুণে বাড়াব।’ আমি স্পষ্ট করে বলছি, আমাদের বংশধরদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।’

এরদোগান ২০১৪ সালে দেশটির প্রেসিডেন্টের নির্বাচিত হন। এর আগে টানা ১২ বছর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ না করতে এবং তুর্কি জনসংখ্যার বৃদ্ধি অব্যাহত নিশ্চিত করতে তুর্কি নেতা নারীদের প্রতি আহ্বান জানান। গত কয়েক বছরে তুরস্কের জনসংখ্যা প্রায় ১.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইস্তাম্বুলের বক্তৃতায় এরদোগান বলেন, ‘মানুষ জন্ম নিয়ন্ত্রনের কথা বলে, পরিবার পরিকল্পনার কথা বলে। কোনো মুসলিম পরিবার এটা গ্রহণ করতে পারে না। যেহেতু মহান আল্লাহপাক এবং আমাদের প্রিয় নবী সা. এই নিদের্শ দিয়েছেন। সুতরাং, আমাদের এই পথে চলতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে মায়েদেরকে প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে।’

এরদোগান দম্পতির দুই পুত্র ও দুই কন্যা রয়েছে।  চলতি মাসের শুরুতে তিনি তার ছোট মেয়ে সুমেইয়ের বিবাহ সম্পন্ন করেন।  তার বড় মেয়ে ইসরা’র সংসারেও তিন সন্তান রয়েছে।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


আমি নামে মাত্র মুসলমান ছিলাম, রাসুলের সীরাত আমাকে পরিবর্তন করেছে: ইমরান খান
নভেম্বর ২১, ২০১৮
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আরিফ মুসতাহসান


পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, আমি একজন নামে মাত্র মুসলমান ছিলাম। বাবা আমাকে ডেকে ডেকে জুমা পড়তে নিয়ে যেতো। যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনী(সীরাত) পড়া আরম্ভ করলাম আমার জীবনে পরিবর্তন আসা শুরু করলো।

মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) ইসলামাবাদে রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত শীর্ষক সেমিনারে নিজের বক্তব্য দানকালে ইমরান খান এ কথা বলেন।

ইমরান খান বলেন, আমি যখন ক্রিকেট খেলছিলাম তখন বশির নামের একজন বুযুর্গের সাথে সাক্ষাৎ হয়। ওই বুযুর্গ আমাকে দ্বীনের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতেন। তিনি আমার ঈমানী রাস্তার সমস্যাগুলো দূর করেছেন। তিনি বলতেন, ‘কুরআনের সঠিক বুঝ অন্তরে তখনই আসবে যখন অন্তরে ঈমানের আলো থাকবে’।

বুযুর্গ আমাকে বলতেন, যখন আল্লাহর উপর বিশ্বাস চলে আসে তখন জীবনের পরিবর্তন এমনি শুরু হয়ে যায়। এই দ্বীন অনেক জিহাদ-পরিশ্রমের মাধ্যমে এ পর্যন্ত এসেছে। যা আমাদের হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেখানো রাস্তা। জীবনে দুটি রাস্তা হয়ে থাকে, একটি নিজে চলার পথ আরেকটি মানুষকে দায়িত্বশীল বানায়।

উনি খুব বেশি এ কথাটা বলতেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে সফলতা রাষ্ট্রক্ষমতার মধ্যে নেই। সফলতা অনুভূতি ও দয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়।

ইমরান খান বলেন, আমরা উচ্চ শিক্ষাতে বিশেষকরে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসুলের সীরাতকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করেছি। বদর যুদ্ধের ১১ বছর পর রোমানরা খালিদ ইবনে ওয়ালিদের পায়ের নিচে এসে পতিত হয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতো মহান নেতা ছিলেন যে মাত্র ১১ বছরে মুসলমানদেরকে পরাশক্তিতে পরিণত করেছেন। বিজ্ঞানীরা রিসার্চ করা শুরু করেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে এতদ্রুত মানুষকে পরিবর্তন করেছেন!
শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ তায়ালা ‘রাহমাতুল্লিল আলামীন'(সারাবিশ্বের শান্তির বার্তাবাহক) বলে আখ্যায়িত করেছেন। আল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সারা জীবনীকে ইতিহাসের অংশ বানিয়ে রেখেছেন।

আমি বর্তমান যুবকদের উদ্দেশ্যে বলবো, রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে সাধারণ মানুষকে মহামানবে পরিনত করেছেন তা অনুসরণ করুন। এ পর্যন্ত কোনো মানুষ এমন করে দেখাতে পারেনি যা আমাদের নবী করে গেছেন।

ইমরান খান আরো বলেন, আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানুষকে রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শে প্রভাবিত করার লক্ষে সেমিনার করার আবেদন করবো। প্রতি বছর আমরা বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করবো যেখানে বাহির থেকেও স্কলারগণ উপস্থিত হবেন। মানুষকে এটা বুঝাবো যে আল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কেনো রাহমাতুল্লিল আলামীন আখ্যায়িত করা হয়েছে!