শায়খুল হাদীস আজিজুল হক ও মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের অবদান জাতি কখনো ভুলবেনা

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


উপমহাদের প্রখ্যাত ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক ও মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ-এর অবদান জাতি কখনো ভুলবেনা। একজন ছিলেন কুরআনের অনুবাদক আরেকজন ছিলেন বোখারী শরীফের ভাষ্যকার। মাতৃভাষায় কুরআন-সুন্নাহর সঠিক ব্যাখ্যা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে যে মহান খেদমত আঞ্জাম দিয়ে গেছেন তা ইতিহাসে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মাসিক মদীনা সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন খান তাফসিরে মারেফুল কুরআন ও মাসিক মদীনার মাধ্যমে ইসলামের ব্যাপক প্রচার প্রসারে অসামান্য অবদান রেখেগেছেন। আর শায়খুল হাদীস বাংলা ভাষায় বোখারী শরীফ অনুবাদসহ ইসলামী রাজনীতির ময়দানে অবদান রেখেছেন। দুজনই পবিত্র রমজান মাসের ১৯ তারিখ ইন্তেকাল করেন।

সোমবার (১৯ রমজান) দিবাগত রাতে মাদানী কাফেলা সিলেট মহানগরীর উদ্যোগে শায়খুল ইসলাম জামেয়ায় এই দুই মনীষী স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন।

স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন হাফিজ শিব্বির আহমদ রাজি। আলোচনা পেশ করেন, বিশিষ্ট লেখক সৈয়দ মবনু, হাফিজ মাওলানা সৈয়দ শামিম আহমদ, হাফিজ মাওলানা সৈয়দ সালিম কাসেমী, সাংবাদিক ফয়সাল আমীন, মাদানী কাফেলা বাংলাদেশের সভাপতি রুহুল আমীন নগরী, লেখক ইকবাল হাসান জাহিদ । হাফিজ শাহিদ হাতিমীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিতছিলেন, শামিমাবাদ মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মাসহুদুর রহমান, হাফিজ মাওলানা সাইম আহমদ, মাওলানা নুরুজ্জামান,দারুল আজহার ক্যাডেট মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আজাদুর রহমান, মাওলানা লুৎফুর রহমান নোমান, শায়খুল ইসলাম জামেয়ার শিক্ষক হাফিজ মাওলানা আলী হোসাইন,মাওলানা ইমরান আহমদ,মাওলানা কায়সান মাহমুদ আকবরি প্রমুখ।

সৈয়দ মবনু তার বক্তৃতায় মনীষীদ্বয়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, দুনু জনই স্বস্বক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। আমরা তাদের চিনতে পারিনি। তাদের চিনতে হলে বেশীকরে লেখা পড়া করতে হবে, তাদের জানতে হবে। বক্তারা বলেন, ১৯৭৬ সালে শায়খুল হাদীস ও মাওলানা খান একই সাথে রাজনীতি করেছেন। বেফাক প্রতিষ্ঠা করেছেন। তৎকালীন সময়ে শায়খুল হাদীস জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি ছিলেন আর মাওলানা খান ছিলেন জমিয়তের সেক্রেটারী। এছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের ব্যানারেও একসাথে ময়দানে কাজ করেছেন। জাতির সংকটময় মুর্হুতে তারা রাহবারি করেছেন। আজকের সময়ে তাদের প্রচন্ড প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি আমরা। পরে মরহুম দ্বয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।