‘মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে ফায়ারিং হবেই’, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ফাইল ছবি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, “মাদক নির্মূলে গণসচেতনতা প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, “যেখানে অবৈধ মাদক, সেখানেই অবৈধ টাকা ও অবৈধ অস্ত্র থাকে। ফলে সেসব স্থানে অভিযানে গেলে ফায়ারিং তো হবেই।”

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে বিআইআইএসএস মিলনায়তনে ‘মাদকবিরোধী অভিযান ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কক্সবাজারের নিহত কাউন্সিলর একরামুল হকের বিষয়ে তদন্ত চলছে। কেউ যদি এ অভিযানে ভুল করে থাকে, তবে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না।”

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, “অভিযানে শুধু বন্দুকযুদ্ধে নিহত হচ্ছে, তা নয়। বর্তমানে সারা দেশের কারাগারে ৮৬ হাজার বন্দী রয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ শতাংশই মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী। এতেই বোঝা যায়, মাদকের বিরুদ্ধে আমরা শুধু বন্দুকযুদ্ধ করছি না, সাজা দিয়ে আসামিদের কারাগারেও পাঠানো হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “সিসা বারের ভেতরে নতুনভাবে মাদকে উদ্ভব হচ্ছে। যা যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই কারণে আমরা মাদক আইনের সংশোধন করছি। ওই আইনে সিসাকেও মাদক হিসেবে রাখা হবে। আমরা আইন সংস্কার করে সিসা বারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবো।”

“মিয়ানমারের সঙ্গে ইয়াবা ট্যাবলেটের বিষয়ে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক চুক্তিও হয়েছে। সেই সবগুলোয় মিয়ানমার স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু তারা ইয়াবা বন্ধের বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এ বিষয়ে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সাং সু চির সঙ্গেও কথা বলেছি, কিন্তু কোনো সহযোগিতা পাইনি।”

তিনি আরও বলেন, “আগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের জনবল কম ছিল। প্রতি তিন জেলার জন্য একজন ছিল। তবে এবার আমরা দেশের প্রতিটি জেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের আলাদা ইউনিট তৈরি করেছি।”