মুয়াল্লিম অফিসের সার্ভিস চার্জ আইবিএএন-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


সৌদি আরবে হজের টাকা পাঠাতে বিড়ম্বনা চরম শিকড়ে পৌছেছে। কিন্ত ২/১ বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক ৮/১০ দিনেও বেসরকারী হজযাত্রীদের মুয়াল্লিম অফিসের সার্ভিস চার্জের কোটি কোটি টাকা জমা দেয়ার পরেও আইবিএএন-এর মাধ্যমে সৌদি আরবে পৌছাতে পারেনি। এতে বিপুল সংখ্যাক হজ এজেন্সি’র মালিক জনপ্রতি ৭৫৬ রিয়ালের মুয়াল্লেম ধরে রাখতে পারেনি। এসব হজ এজেন্সি’র হজযাত্রীদের এখন ১২শ’ থেকে ১৫ শ’ রিয়ালের মুয়াল্লিমের সাথে চুক্তি করতে হবে। এতে হজ এজেন্সিগুলো মারাত্মকভাবে আর্থিক ক্ষতি’র সম্মুখীন হবে।

সৌদি সরকার এবারই প্রথম মুয়াল্লিম অফিসের সার্ভিস চার্জের টাকা আইবিএএন-এর মাধ্যমে জমা নেয়ার বিধান জারি করেছে। অন্যান্য বছর হুন্ডির মাধ্যমে রিয়াল নিয়ে মক্কাস্থ মুয়াল্লিম অফিসে সার্ভিস চার্জের টাকা জমা দেয়ার সুযোগ ছিল। মক্কায় অনেক এজেন্সি’র স্বত্বাধিকারী এবার নগদ রিয়াল জমা দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। হজের টাকা আইবিএএন-এর মাধ্যমে সৌদি আরবে দ্রুত টাকা পাঠানো সম্ভব না হলে সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মক্কা থেকে রাজশাহী ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী মুফতী মোস্তাফিজুর রহমান টেলিফোনে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যেসব হজ এজেন্সি আইবিএএন-এর মাধ্যমে হজ সার্ভিসের টাকা সৌদিতে নিতে অহেতুক বিলম্বের ফাঁদে পড়েছে তারা ৭৫৬ রিয়ালের মুয়াল্লিম ধরতে পারেনি । এসব এজেন্সিকে হজযাত্রীদের সেবা নিশ্চিতকরণে জনপ্রতি ১৫শ’ রিয়ালের মুয়াল্লিম নিতে হবে। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক এবার মুয়াল্লেম সার্ভিস চার্জের টাকা ১/২ দিনের মধ্যেই সউদী আরবে পাঠিয়ে সুনাম অর্জন করেছে।

সৌদি পর্বে মক্কা-মদিনায় হজযাত্রীদের বাড়ী ভাড়া এবং মুয়াল্লিম অফিসের সার্ভিস চার্জের টাকা যথাসময়ে পরিশোধ করতে না পারলে নির্ধারিত হজ ফ্লাইটও বাতিল হবার সম্ভাবনা রয়েছে। সময়মতো সৌদি আরবে মুয়াল্লিম-এর সার্ভিস চার্জের টাকা ও মক্কা-মদিনায় হজ যাত্রীদের বাড়ী ভাড়ার টাকা পাঠানো সম্ভব না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে ধরর্ণা দিয়েও কোনো সাড়া পাচ্ছে না হজ এজেন্সি’র মালিক-প্রতিনিধিরা।

এক প্রশ্নের জবাবে মুফতী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মক্কা-মদিনায় হজযাত্রীদের বাড়ী ভাড়ার টাকা কত লাগবে তা’এখনো জানা যায়নি। আইবিএএন-এর মাধ্যমে বাড়ী ভাড়ার টাকা সৌদিতে নেয়া হলে ভাড়া শেষে ঐ টাকা উদ্বৃত্ত হলে তা’ দেশে ফেরত আনা সম্ভব হয় না। এতে বাংলাদেশী হজ এজেন্সিগুলো আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।