মার্চ ২৩, ২০১৭

শিক্ষার্থীদের ধর্মহীন করার চক্রান্ত বাস্তবায়ন করতে দেয়া যাবেনা: মাওলানা ইসলামাবাদী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

2016-07-03_205025ইত্তেহাদুল মুসলিমীন বাংলাদেশ কতৃক আয়োজিত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন হলে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর উপদেষ্টা সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। সভাপতিত্ব করেন ইত্তেহাদুল মুসলিমীন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুফতী ইমরানুল হক ইসলামাবাদী ৷

এতে আরো আলোচনা করেন সহ সভাপতি মাওলানা ঈসা মাহমুদ ককসী, সহ অর্থসম্পাদক মাওলানা এনায়েত উল্লাহ মক্কী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ওমর ফারুক হাটহাজারী,ছাত্র সম্পাদক মোহাম্মদ তারেক আনোয়ারী, কমিটির মেম্বার মাওলানা মাহমুদ উল্লাহ, এবি এম অলিউল্লাহ (চেয়ারম্যন বাংলার মাটি) সহ বিশিষ্ট লেখক, গবেষক, রাজনীতিবিদ ও সর্বসাধারণগন৷

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, বর্তমান সরকার বিতর্কিত ইসলামবিরোধী শিক্ষানীতি-২০১০ অনুসারে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকগুলো থেকে ইসলাম বিষয়ক পাঠসমূহ বাতিল করে তদস্থলে উদ্দেশ্যমূলকভাবে হিন্দুত্ববাদ ও নাস্তিক্যবাদমূলক পঠ্য প্রতিস্থাপন করে মুসলমান ছাত্র-ছাত্রীদের নাস্তিক বানানোর শিক্ষা চালু করেছে। তিনি বলেন, ধর্মহীন শিক্ষানীতি, সেক্যুলার শিক্ষাআইন ২০১৬ বাতিল করতে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মুসলিম ছেলে-মেয়েদের ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীন করার চক্রান্ত বাস্তবায়ন করতে দেয়া যাবেনা।

মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী আরো বলেন, বর্তমানে স্কুল পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদেরকে গরুকে মায়ের সম্মান, পাঁঠাবলির নিয়ম, হিন্দুদের তীর্থস্থানের ভ্রমণ কাহিনী এবং হিন্দু রীতিনীতি ও দেব-দেবীর নামে প্রার্থনা করার বিষয়ে পড়ানো হচ্ছে। স্কুল-কলেজের বর্তমান ইসলামবিচ্ছিন্ন শিক্ষাব্যবস্থাকে আইনি ভিত্তিদানের উদ্দেশ্যে শিক্ষা আইন-২০১৬ নামে একটি বিতর্কিত খসড়া আইন প্রকাশ করে তড়িঘড়ি পাস করার উদ্যোগ নিয়েছে। কওমি মাদ্রাসাসমূহকে নিয়ন্ত্রণে এনে কুরআন হাদীস চর্চার কেন্দ্রগুলোকে ধ্বংস করতে চায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এসব কর্মকান্ড বৃহৎ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও নৈতিক আদর্শের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে বলতে হয় ধর্মহীন শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে রাষ্ট্রের অর্থে পরিচালিত কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথাকথিত ‘আধুনিক’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমন সকল ঘৃণিত অপকর্মের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে যে, যা দেখে আমরা রীতিমতো শঙ্কিত।