মার্চ ২৯, ২০১৭

শহীদ মিনার কারো বাপের তালুকনা

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

কেন্দ্রীয়-শহীদ-মিনারঅামি এতদিন মফিদুল হককে ভদ্রলোক বলেই জানতাম এবং চিনতাম। অাজ অামার ভ্রম সংশাধন তিনিই করিয়ে দিলেন। গোলাম কৃদ্দুস,শাহাদত হোসেন নিপুরা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে না চিনতে পারে, কিন্তু তার তো না চেনার কোন কারন থাকতে পারেনা। তিনি অাবার মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের অন্যতম ট্রাষ্টি। সত্যি সেলিউকাস! কি বিচিত্র অামাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। যিনি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষনে নিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন, তার চোখের সামনে একজন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠককে কিছু অর্বাচিন চেতনার নামে লাঞ্ছিত করে অথচ তিনি দেখেও না দেখার ভান করে থাকেন!

শহীদ মিনার কারো বাপের তালুকনা। কোন সিপি গ্যাং টাইপের পান্ডাদের কাছে ইজারা দেয়াও হয়নি। দেশের বাংলাভাষী সকল নাগরিকের সেখানে অবাধ প্রবেশের অধিকার রয়েছে! অথচ সেখানে যেতে বাধা পেতে হয় জাফরুল্লাহ চৌধুরীদের মতন নাগরিকদের!

বছর দুই অাগে সিপি গ্যাং দেশের বিশিষ্ট পাচ নাগরিকের বেলায়ও এমন বিধি নিষেধ অারোপ করেছিলো।

এবার জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে বাধা দিলো সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের রংধারী নিপুরা! উনি নাকি জংগীবাদের সাথে উঠাপড়া করেন! অাহারে! রগড় অার কাকে বলে! গুলশান রেস্তোরাঁয় যে ছয় জঙ্গী প্রান বেঘোরে হারালো তাদের একজন তো অাওয়ামী লীগের নেতার ছেলে! তাহলে জংগীর উৎপাদন কেন্দ্র কারা নিপু সাহেবরা কি একটু খতিয়ে দেখবেন, দেখবেননা! এরকম যদি বিএনপির কোন নেতার ছেলেকে অাজ পাওয়া যেতো! তাহলে তো কোন কথাই ছিলোনা। ঈদের অাগেই ঈদ নামিয়ে দিতেন। সমানে তার স্বরে চিৎকার করতেন অামরা অাগেই বলেছিলামনা বিএনপি জঙ্গীর দল! এখন উনারা কি বলবেন!

শনিবার সারাদিন কিছু তথাকথিত সামরিক বিশ্লেষক, এ ঘটনার সাথে রাজনৈতিক কানেকশান খুজতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন দেখলাম চ্যানেলে চ্যানেলে। উদ্দেশ্য একটাই রাজনৈতিক দল বিএনপিকে এ্যাসোসিনেট করা। ভাগ্যের পরিহাস। অাজ দেখা গেলো বিএনপির নয় ধরা পড়লো অাওয়ামী নেতার ছেলে। উনাদের দ্বিতীয় উদ্দেশ্যও এই তরফে মাঠে মারা গেছে জঙ্গীদের মতন। উনারা কথায় কথায় জঙ্গী বলতে মাদ্রাসা ছাত্রকে তুলে ধরেন, কিন্তু গুলশানের ঘটনায় উনাদের চোখে অাঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো বিশ্লেষক হিসেবে উনারা কত নাদান অার কত এক চোখা।

সুতারং ওই কথিত বিশ্লেষকদের বলি,নিপুদেরও বলি দলবাজি ছাড়ুন,নির্মোহ হন,দেশের স্বার্থে কাজ করুন। দেশ না থাকলে যে অাপনারা এখন হিরো বনে বসে অাছেন, তারা কিন্তু তখন জিরো হবেন। সময় থাকতে হুশে ফিরুন!


 ফেসবুক থেকে