বায়তুর রউফ মসজিদের স্থপতি হিসেবে জামিল প্রাইজ পেলেন মেরিনা তাবাসসুম

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


স্থপতি মেরিনা তাবাসুসম।

শিল্পকলা ও নকশার মর্যাদাপূর্ণ জামিল প্রাইজ পেলেন বাংলাদেশের স্থপতি মেরিনা তাবাসুসম। তাঁর সঙ্গে যৌথভাবে এ পুরস্কার পেয়েছেন ইরাকের শিল্পী মেহেদি মৌতাশার। এতে করে আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশের স্থাপত্যকলা।

গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট জাদুঘরে তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আর্ট জামিলের প্রেসিডেন্ট ফ্যাদি জামিল। এর আগেও ২০১৪-১৬ সালের শ্রেষ্ঠ স্থাপনা হিসাবে ‘আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’ পুরস্কার পান মেরিনা তাবাসুসম।

ঢাকার আব্দুল্লাহপুরস্থ শিল্প-সৌকর্যময় নকশার বায়তুর রউফ মসজিদের স্থপতি হিসেবে পুরস্কারটি পেয়েছেন মেরিনা তাবাসুসম। অন্যদিকে ইসলামি জ্যামিতির সূক্ষ্ম বিমূর্তায়ন নিয়ে সাহসী কাজের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন মেহেদি মৌতাশার।

বিচারকেরা মনে করেন, দুজনের কাজের ক্ষেত্র ভিন্ন হলেও যথাযথ উজ্জ্বলতা ও নমনীয়তায় ইসলামি ঐতিহ্য ফুটিয়ে তুলেছেন তাঁরা।

বায়তুর রউফ মসজিদের একাংশ।

ইসলামী ঐতিহ্যের অনুপ্রেরণায় সৃষ্ট সমকালীন শিল্প ও নকশার জন্য ২০০৯ সাল থেকে ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট জাদুঘরের সঙ্গে যৌথভাবে জামিল প্রাইজ প্রবর্তন করে ব্রিটিশ সংস্থা আর্ট জামিল। দ্বিবার্ষিক এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ২৫ হাজার পাউন্ড।

আকাশের আলো ছাড়াও পর্যাপ্ত দিবালোক নিশ্চিত করতে ৪টি আলোক স্থল আছে। ৮টি পেরিফেরাল কলামের উপর ভর করে মসজিদটি দাঁড়িয়ে। ছাদ থেকে এলোপাতাড়ি ও বৃত্তাকার দিনের আলো প্রবেশ পথ মেঝেতে অসাধারণ ও নান্দনিক প্যাটার্ন তৈরি করে। নির্মাণ উপকরণ স্থানীয় উৎস থেকে নেওয়া। মসজিদটির নির্মাণ শৈলী সুলতানি স্থাপত্য রীতি দ্বারা অনুপ্রাণিত। সনাতন পদ্ধতির ইটের ব্যবহারের সাথে সমকালীন স্থাপত্য রীতি মিশ্রিত হয়েছে।