তিস্তার পানি বিপদসীমার উপরে, ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারী ২ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ১৫টি চরগ্রাম প্লাবিত হয়ে ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

তবে তিস্তা পাড়ের বাসিন্দাদের দাবি, ডালিয়াস্থ তিস্তা অববাহিকায় ভারী বর্ষন চলছে। ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত দুইদিনের চেয়ে ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে বলে। উজানের ঢল সামাল দিতে খুলে রাখা হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট।

এদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর তীরবর্তী ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী, পূর্বছাতনাই, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ি এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের অন্তত ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সর্তকীকরন কেন্দ্র জানিয়েছে, বুধবারের চেয়ে তিস্তার পানি দুই সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সকাল ৬টা হতে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিকাল ৩টায় তিস্তার পানি বাইশপুকুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সন্ধ্যা ৬টায় আরও ৬ মিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাষক আব্দুল লতিফ খান জানান, গত দুই দিনের চেয়ে উজানের ঢলের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এলাকার নিচু ও উঁচু স্থানে নদীর পানি প্রবেশ করেছে। চরগ্রাম গুলোর ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। ইতিমধ্যে তার এলাকার এক হাজার ৪০ পরিবারের বসত বাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। ঝাড়সিংহেশ্বর মৌজার ছয়টি পরিবারের বাড়িঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।