আজ কবি আল মাহমুদের ৮৩ তম জন্মদিন

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


আধুনিক বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের ৮৩তম জন্মদিন আজ ।

১৯৩৬ সালের এই দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মৌড়াইল গ্রামে প্রবল বর্ষণের এক রাতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তার প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তিনি কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার সাধনা হাইস্কুল এবং পরে চট্টগ্রামের সীতাকু- হাইস্কুলে পড়াশোনা করেন। বাংলা কবিতা যাদের হাত ধরে আধুনিকতায় পৌঁছেছে আল মাহমুদ তাদের অগ্রগণ্য।

পঞ্চাশের দশকে আবির্ভূত কবি আল মাহমুদ কবিতা ছাড়াও লিখেছেন উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, আত্মজীবনী ইত্যাদি। তাঁর প্রথম কাব্য গ্রন্থ লোক লোকান্তর প্রকাশিত হয় ১৯৬৩ সালে। তিন বছর পর ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয় তার আরও দুটি কবিতার বই কালের কলস ও সোনালী কাবিন। এর মধ্যে সোনালী কাবিন তাকে নিয়ে যায় অনন্য উচ্চতায়।

উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো, দোয়েল ও দয়িতা, দ্বিতীয় ভাঙ্গন, বখতিয়ারের ঘোড়া, তোমার রক্তে তোমার গন্ধে, অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না, একচক্ষু হরিণ, মিথ্যাবাদী রাখাল ইত্যাদি।

তার প্রবন্ধে রয়েছে নতুন এক গদ্যশৈলী। লিখেছেন পানকৌড়ির রক্তে’র মতো গল্পগ্রন্থ। লিখেছেন উপমহাদেশ ও ‘কাবিলের বোন,  ডাহুকি, আগুনের মেয়ে, চতুরঙ্গ ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।  ডাহুকি, আগুনের মেয়ে, চতুরঙ্গ ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। যেভাবে বেড়ে উঠি ঘরানার ক্লাসিক জীবনীগ্রন্থ সব পাঠকের হূদয় ছুঁয়েছে।

সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক হিসেবে কর্মজীবন শেষ করেন তিনি। লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন।  সৃজনশীল সাহিত্য রচনার জন্য অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন আল মাহমুদ। এর মধ্যে ১৯৬৮ সালে পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, শিশু একাডেমি (অগ্রণী ব্যাংক) পুরস্কার ও কলকাতার ভানুসিংহ সম্মাননা উল্লেখযোগ্য।