যতবার তাওবাহ্ ততবার মাগফিরাত

যতবার তাওবাহ্ ততবার মাগফিরাত

সংকলনে: সোহেল আহম্মেদ


অভিশপ্ত শয়তানের ধোঁকা অথবা নফসের প্ররোচনায় প্রায়ই আমাদের দ্বারা ছোট বড় বিভিন্ন রকমের গুনাহ্ সংঘটিত হয়ে থাকে। তাই ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কোন গুনাহের কাজ করে ফেললে সাথে সাথে গুরুত্ব সহকারে মহান আল্লাহর দরবারে তাওবাহ্ করা উচিৎ কেননা আল্লাহ্ তাআলা ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। তিনি তাওবাকারীদেরকে ভালবাসেন। শিরক্ ব্যাতিত বান্দা যত বড় গুনাহই করুক না কেন যদি সে লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে আন্তরিকভাবে আল্লাহর দরবারে তাওবাহ্ করে, মহান আল্লাহ্ তাআলা তাকে ক্ষমা করে দেন। এমনকি যদি কেউ বার বার গুনাহ্ করে আর বার বার তাওবাহ্ করে তবে প্রত্যেকবারই মহান আল্লাহ্ তাআলা তাকে ক্ষমা করে দেন। নিম্নোল্লেখিত হাদীসখানায় উক্ত বিষয়টি স্পষ্টরুপে বর্ণিত হয়েছে।

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই এরশাদ করতে শুনেছি, কোন বান্দা যখন গুনাহ্ করে ফেলে, অতঃপর (লজ্জিত হয়ে) বলে, হে আমার রব, আমি তো গুনাহ্ করে ফেলেছি,আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।
আল্লাহ্ তাআলা (ফেরেশতাদের সামনে) বলেন, আমার বান্দা কি জানে যে, তাঁর কোন রব আছেন যিনি তাঁর গুনাহ্সমূহকে ক্ষমা করেন এবং এর উপর ধরপাকড়ও করতে পারেন? শুনে রাখ, আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম।

অতঃপর সে বান্দা যতক্ষন আল্লাহ্ চান গুনাহ্ থেকে বিরত থাকে। তারপর আবার কোন গুনাহ্ করে ফেলে। তখন সে (লজ্জিত হয়ে) বলে, হে আমার রব, আমি তো আবার একটি গুনাহ্ করে ফেলেছি। আপনি এটাও ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ্ তাআলা (ফেরেশতাদের সামনে) বলেন, আমার বান্দা কি জানে যে, তাঁর কোন রব আছেন যিনি তাঁর গুনাহ্সমূহকে ক্ষমা করেন এবং এর উপর ধরপাকড়ও করতে পারেন? শুনে রাখ, আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম।

অতঃপর সে বান্দা যতক্ষন আল্লাহ্ চান গুনাহ্ থেকে বিরত থাকে। তারপর আবার কোন গুনাহ্ করে ফেলে। তখন সে (লজ্জিত হয়ে) বলে, হে আমার রব, আমি তো আবার একটি গুনাহ্ করে ফেলেছি। আপনি এটাও ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ্ তাআলা (ফেরেশতাদের সামনে) বলেন, আমার বান্দা কি জানে যে, তাঁর কোন রব আছেন যিনি তাঁর গুনাহ্সমূহকে ক্ষমা করেন এবং এর উপর ধরপাকড়ও করতে পারেন? শুনে রাখ, আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম,বান্দা যা ইচ্ছা করুক। অর্থাৎ সে প্রত্যেক গুনাহের পর তাওবাহ্ করতে থাকে তো আমি তাঁর তাওবাহ্ কবুল করতে থাকব।
-(বুখারী)