মনু ও ধলাই নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে অনতিবিলম্বে ব্যাবস্থা নিন: মাওলানা আহমদ বিলাল

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও মৌলভীবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আহমদ বিলাল বলেছেন  মৌলভীবাজার জেলা একটি বন্যাপ্রবন এলাকা। উজানে ভারী বর্ষণ বৃদ্ধি, নদীসমূহের ধারণক্ষমতা হ্রাস, নদ-নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধসহ নিয়মিত মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণসহ স্থায়ী বন্যা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণে প্রায় প্রতি বছরই মনু, ধলাই ও কুশিয়ারা নদীর বাঁধের কোথাও না কোথাও ভাঙ্গন দেখা দিচ্ছে। তাই বন্যা প্রতিরোধে মনু ও ধলাই নদীতে অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

আজ ১২ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রেসক্লাব চত্তরে খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার শহর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত বন্যা প্রতিরোধে মনু ও ধলাই নদীতে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দাবীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমদ বিলাল বলেন, এ ভাঙ্গন স্বাভাবিক অবস্থায় না থেকে রূপ নিচ্ছে ভয়াবহ বন্যার আকার। ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, গোবাদি পশু ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে চরমভাবে। এ বছর বিপদসীমার প্রায় ১৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে মনু ও ধলাই নদীতে ভাঙ্গনের ফলে প্রায় ৩ লক্ষাধিক লোক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। আর অর্থনৈতিক হিসেবে এর ক্ষতির পরিমাণ প্রায় হাজার কোটির সমান।

মানবন্ধনে মনু , ধলাই ও কুশিয়ারা নদী পাড়ের বন্যা সমস্যা পর্যবেক্ষন করে এর স্থায়ী সমাধানের জন্য কয়েকটি দাবি জানানো হয় : মনু ও ধলাই নদীতে স্থায়ী বন্যা প্রতিরোধ প্রকল্প গ্রহণ করা।মনু নদীর চড় অপসারণ করে পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নদী সমূহের বাঁক কমিয়ে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হতে সহায়তা করা। খাল, হাওড়, বিল সমূহকে খননের আওতায় নিয়ে আসা।মনু নদীতে অবস্থিতিত ক্যানেল প্রকল্প সম্প্রসারণ করে নদীর পানি ধরে রেখে তা চাষ কাজে ব্যবহারের কার্যকরী উদ্দ্যোগ নেওয়া।

শহর সভাপতি সৈয়দ মুজাদ্দিদ আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক এনামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা আসাদ আহমদ চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ সাইফুর রহমান, মাহফুজুল ইসলাম, জেলা বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মুজিবুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক এম এ রহিম নোমানী, জেলা নির্বাহী সদস্য মাওলানা জিয়া উদ্দীন ইউসুফ, সদর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা শিব্বির আহমদ, সদর উত্তর সেক্রেটারী এহসানুল হক জাকারিয়া, ছাত্র মজলিসের জেলা সভাপতি মুহাম্মদ ফরহাদ সাইফুল্লাহ, শহর সভাপতি মুহাম্মদ ইমাদ উদ্দিন প্রমুখ।