তিন সিটি নির্বাচনে ইসলামী দলগুলো কে কত ভোট পেল?

নানা অনিয়মের মধ্যে শেষ হওয়া সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

সোমবার (৩০ জুলাই) ভোটগ্রহণের পর রাতভর চলে গণনা।

সিলেট বুধবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় গাজীপুর বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে স্থাপিত অস্থায়ী কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা (ঢাকা অফিস) রকিব উদ্দিন মন্ডল জানান, জেসিসির মোট ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৬টিতে জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৪ লাখ ১০ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাসান উদ্দিন সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬১১ ভোট।

এছাড়াও এবারের নির্বাচনে দু্ইটি ইসলামপন্থী দল নিজেদের প্রার্থী দিয়েছিল। প্রার্থী দেয়া দলগুলো হলো, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জামায়াতে ইসলামী।

প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী মাওলানা নাসির উদ্দিন ২৬ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন মোমবাতি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়া ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী জালাল উদ্দিন। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৮৬০ ভোট। ইসলামী দলগুলোর মধ্যে তৃতীয় ও সর্বশেষ অবস্থানে আছেন মিনার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মাওলানা ফজলুর রহমান। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১ হাজার ৬৫৯টি।

তবে বেশীরভাগ ইসলামীপন্থী দল এই নির্বাচনে সরাসরি প্রার্থী দেয়নি। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটসহ ২০ দলীয় জোটভুক্ত ইসলামপন্থী দলগুলো জোটের প্রার্থী হাসান সরকারকে সমর্থন দেয়েছিল। এবং এসব দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা হাসান সরকারের পক্ষে প্রচার-প্রচারনায়ও অংশগ্রহণ করেন।

আরো দু’জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবারের গাজীপুর সিটি নির্বাচনে। তারা হলেন, কাস্তে প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী কাজী মো. রুহুল আমিন রুহুল আমিন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৯৭৩টি। আর ঘড়ি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমেদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১ হাজার ৬১৭টি।

রকিব উদ্দিন মন্ডল জানান, নির্বাচনে মোট ৫৭ দশমিক ০২ শতাংশ ভোট পড়েছে। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৬ লাখ ৩০ হাজার ১১১। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ১৮ হাজার ৬৩৮। মোট ভোট দিয়েছেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৭৪৯ জন। অনিয়মের অভিযোগে স্থগিত করা হয়েছে ৯ কেন্দ্রের ভোট। সেখানে ভোটার ২৩ হাজার ৯৫৯ জন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ওবায়দুল ইসলাম (হাতপাখা) পেয়েছেন ৬ হাজার ৪২৩ ভোট,

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম (হাতপাখা) পেয়েছেন ৩ হাজার ২৩ ভোট।