সন্ত্রাস দমনে ইসলামের মূলবাণী ছড়িয়ে দিতে হবে সর্বত্র: ড. খালিদ হোসেন

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

f8c504cf-1a29-4e0c-9d4b-7e1bfd06f433চট্টগ্রাম ওমর গণি এম.ই.এস কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মাসিক ‘আত-তাওহীদ’ ম্যাগাজিনের সম্পাদক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, জিহাদের নামে যারা নিরীহ মানুষ হত্যা করছে তাদেরকে এক শ্রেণীর মানুষ বিভ্রান্ত করে ফেলেছে। এর পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। ইসলামের সঠিক দাওয়াত তাদের কাছে পৌঁছেনি। তারুণ্যের আবেগ ও ইসলামের চেতনাকে ভুল পথে পরিচালিত করা হচ্ছে। মিডিয়ার খবরে প্রকাশ যারা আত্মঘাতী হামলায় অংশ নিচ্ছে তাদের মধ্যে অনেকে ইসলামের অনুশাসন মেনে চলতে অভ্যস্ত নয়। ফান্সে যে হামলা চালিয়েছে সে নিয়মিত নাইট ক্লাবে যায়, শুয়োরের মাংস খায় এবং মদ পান করে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ইসলামের মূল মর্মবাণী ছড়িয়ে দিতে হবে সর্বত্র। এ ক্ষেত্রে রাস্ট্রযন্ত্রের পাশাপাশি উলামা-মাশায়েখদের ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি ১৪ জুলাই চট্টগ্রাম যুব ফোরামের উদ্যোগে পালং ইসলামী ছাত্র সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ৩দিন ব্যাপী শার’ইয়াহ কোর্স-১-এ প্রধান বক্তার ভাষণে উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন। কোর্সে তিনি ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ: বাস্তবতা ও অপপ্রচার’ শীর্ষক মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোটবাজার এন আলম মার্কেট মিলনায়তনে আয়োজিত এ কোর্সে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মাঈনুদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ জনাব হামিদুল হক চৌধূরী ও মাওলানা মামুন, টেকনাফ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা রফিক উদ্দিন প্রমূখ। মুফতি রিদওয়ানুল কাদেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কোর্সে সভাপতিত্ব করেন পটিয়া আল জামিয়াতুল ইসলামিয়ার উস্তাদ হাফেয মাওলানা উবায়দুল্লাহ হামযাহ। সমাপনী বক্তব্য রাখেন মাওলানা নূরুল আলম মাদানী। প্রায় শতাধিক আলিম, ইমাম ও খতিব এ কোর্সে অংশ নেন।

তিনদিন ব্যাপী এ কোর্সে নির্ধারিত বিষয়ের উপর বক্তব্য উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর জনাব মমতাজ উদ্দিন কাদেরী, দারুল মাআরিফ আল ইসলামিয়ার শিক্ষক মাওলানা আফিফ ফুরকান, মাওলানা আবদুস সালাম, মাওলানা সাজেদ আল হাবিব আল মাদানী, মাওলানা সাইফুদ্দিন আল মাদানী, মাওলানা এনামুল হক সিরাজ আল মাদানী ও মাওলানা হারুনুর রশিদ।
কোর্স শেষে দেশ ও জনগণের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন কাজী মাওলানা হারুন।