দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, গুন্ডাতন্ত্র আছে : ড. কামাল

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


গণফোরাম সভাপতি ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, দেশে আছে গুন্ডাতন্ত্র।  গুন্ডারা পুলিশের সঙ্গে লাঠি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ছাত্রদের ওপর হামলা করছে। আমরা গুন্ডামুক্ত বাংলাদেশ চাই। গুন্ডা লেলিয়ে দিয়ে ঐক্যবদ্ধ মানুষকে দমানো যাবে না।

আজ ৬ আগষ্ট সোমবার তীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে ‘উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ’ আয়োজিত শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়নের প্রতিবাদ ও সংহতি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও গুন্ডাতন্ত্র মুক্ত হোক। আমি এই গুন্ডাতন্ত্রের মধ্যে বেঁচে থাকতে চাই না। আমি চাই যে আমাকে গুলি করে মারা হোক। তাহলে অন্তত বলতে পারব গুন্ডাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে মারা গেছি।

ড. কামাল বলেন, যে দেশে স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদকে জীবন দিতে হয়েছে, সেই বাংলাদেশে গুন্ডাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে এটা মেনে নেয়া যায় না। তারা একটা দেশ রেখে গেছেন, যেখানে সভ্যতা থাকবে, মানুষ মানবাধিকার ভোগ করবে। সেখানে গুন্ডাতন্ত্র থাকা মানে তাদের অপমান করা।

এই আইন বিশেষজ্ঞ বলেন, অসুস্থ শাসনব্যবস্থা বলব কারণ এই তরুণ ছাত্রদের সাহায্য না করে তাদের ওপর গুন্ডা লেলিয়ে দিয়েছে। তরুণ ছাত্ররা যা দেখাল তা হলো জাগ্রত বিবেক। যারা লাঠি ও অস্ত্র নিয়ে মাঠে নেমেছে, তাদের কোনো ছাত্র সংগঠন বলব না। এদের জন্য একটাই শব্দ আছে তা হলো এরা গুন্ডা। লাঠি নিয়ে নিরীহ মানুষের ওপর হামলাকারীদের আমরা গুন্ডা ছাড়া আর কোনোভাবে চিহ্নিত করতে পারি না।

তিনি বলেন, সংবিধানের কোথায় লেখা আছে যে পুলিশের পাশে লাঠিয়াল থাকবে? পুলিশের পাশে থেকে লাঠিয়াল বাহিনী বেআইনিভাবে নিরীহ মানুষের ওপর আক্রমণ করবে, আর পুলিশ এদের সহযোগী হবে। এটা পুলিশকে অপমান করা এবং তাদের ধ্বংস করা।