নিরাপদ ঈদযাত্রায় ১৪ দফা সুপারিশ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে নিরাপদ ঈদযাত্রায় ১৪ দফা সুপারিশ উত্থাপন করেছে সড়ক, নৌ ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি। এর মধ্যে ৭ টি নৌ নিরাপত্তা ও বাকি ৭ টি সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ।

আজ ৮ আগষ্ট বুধবার সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সঞ্জীব বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক বিবৃতিতে এই ১৪ দফা সুপারিশ উত্থাপন করেন। এসব সুপারিশ আগামী ১৬ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সড়ক নিরাপত্তায় সাত সুপারিশ

১. অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও টিকিট কালোবাজারি বন্ধে দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ বাস টার্মিনালে সার্বক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম শুরু এবং কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
২. দূরপাল্লার সড়কে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোসহ বেআইনিভাবে ওভারটেকিং বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ।
৩. রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও রুট পারমিটবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধে জাতীয় মহাসড়ক, আন্তজেলা সড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম শুরু ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিমদের সম্পৃক্তকরণ।
৪. চলন্ত অবস্থায় চালকদের মুঠোফোন ব্যবহার, বাসের ছাদে ও ট্রাকে যাত্রীপরিবহন এবং জাল লাইসেন্সধারী চালকদের গাড়ি চালানো বন্ধে সংশ্লিষ্ট জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে ক্ষমতা প্রদান।
৫. ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-টাঙ্গাইল, ঢাকা-আরিচা ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুঃসহ যানজট এড়াতে ১৫ আগস্টের মধ্যে এসব মহাসড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ।
৬. সড়কপথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াতকারী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানের মানুষের সুবিধার্থে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের ৪টি ফেরিঘাটের বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদারকরণ এবং
৭. জাতীয় মহাসড়ক ও আন্তজেলা সড়কে অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ সব ধরনের তিন চাকার যানবাহন চলাচল কঠোরভাবে বন্ধ।

নৌ নিরাপত্তায় সাত সুপারিশ

১. লঞ্চ-ট্রলারসহ সব ধরনের অবৈধ ও ত্রুটিপূর্ণ নৌযানের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম শুরু করা।
২. উপকূলীয় জনপদের জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে নৌ নিরাপত্তার কাজে সম্পৃক্তকরণ।
৩. উপকূলীয় জেলাসমূহের নির্বাহী হাকিমদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা প্রদান।
৪. সদরঘাটসহ সারা দেশের সকল লঞ্চ টার্মিনালে কঠোর নিরাপত্তাসহ শৌচাগার সুবিধা ও পানির ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং সকল নদীবন্দরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা।
৫. পদ্মার শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ঝুঁকিপূর্ণ লঞ্চসহ সব ধরনের ক্ষুদ্র নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা।
৬. রাতে বালু ও তেলবাহীসহ সব ধরনের পণ্যবাহী নৌযান চলাচল সম্পূর্ণনিষিদ্ধকরণ এবং
৭. সকল টার্মিনাল ও লঞ্চঘাটে লাউড স্পিকার ও বড় পর্দায় সার্বক্ষণিক এবং টেলিভিশন ও বেতারে প্রতি ঘণ্টায় আবহাওয়া বার্তা প্রচার।