জানুয়ারি ২২, ২০১৭

তারেক রহমানকে সাজার প্রতিবাদে ১০০১ শিক্ষকের বিবৃতি

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

তারেক রহমাননিম্ন আদালত থেকে বেকসুর খালাসপ্রাপ্ত বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মুদ্রা পাচার মামলায় সাজা দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী এক হাজার এক শিক্ষক। এক বিবৃতিতে শিক্ষকরা এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ এক গভীর রাজনৈতিক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং সর্বক্ষেত্রে স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশের অচলায়তনের সৃষ্টি হয়েছে। এমনি এক পরিস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন দলমত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিচ্ছেন ঠিক সেই মুহূর্তে তারেক রহমানের এই সাজা জাতীয় ঐক্যের বাধা হিসেবে কাজ করবে বলে আমরা মনে করি। সরকার যেভাবে তারেক রহমান ও খালেদা জিয়াসহ জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে তথা জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিঃশেষ করে দিতে চাচ্ছে তা কখনো সম্ভব হবে না। জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে ফেরাতে এবং হয়রানিমূলক মামলা রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে যথেচ্ছ ব্যবহার সরকারের আজ নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে যা গণতন্ত্রের জন্য অশুভকর। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করছি।

শিক্ষকরা অবিলম্বে তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক সব মামলা প্রত্যাহার করার দাবি জানান। সেই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের স্বার্থে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল এবং সরকারকে সহনশীল আচরণ প্রদর্শন করে জিয়া পরিবারকে হয়রানি থেকে বিরত থাকার দাবি জানান।

এছাড়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস এ ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জেড. এন. তাহমিদা বেগম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য ড. মো. খলিলুর রহমান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ড. মো. আবুল বাশার, বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল আজিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবদুর রশিদ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মেজবাহ উল ইসলাম, ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, ইস্রাফিল প্রামানিক রতন, অধ্যাপক ড. মো. মাহফুজুল হক, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন প্রমুখ।

বিবৃতি আরো স্বাক্ষর করেছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম. শাহাদাত হোসেন ম-ল, অধ্যাপক এম রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাহার আলী, অধ্যাপক মোস্তাফা কামাল আকন্দ, অধ্যাপক এম নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক মামনুনুল কেরামত প্রমুখ। সিলেট শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল প্রমুখ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এ্যাপোলো, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, শরীফ মোহাম্মদ খান, অধ্যাপক ড. হারুন-অর রশীদ , বিএসএমএমইউর অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. সাব্বির মোস্তফা খান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম আরিফ কেনেডি, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফিরোজা হোসেন, অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহী সাত্তার, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া প্রমুখ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, ড. শফিকুল ইসলাম, ড. আবদুল মান্নান, মোহাম্মদ আলম চৌধুরী, ড. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ড. মো. আমান উল্লাহ প্রমুখ। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, শরীফ মোহাম্মদ খান, অধ্যাপক ড. হারুন-অর রশীদ প্রমুখ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাহার আলী, অধ্যাপক মোস্তাফা কামাল আকন্দ, অধ্যাপক এম নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক মামনুনুল কেরামত প্রমুখ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, মো. মিজানুর রহমান, মো. তানজিল হোসেন প্রমুখ। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন, অধ্যাপক আকরাম হোসেন, অধ্যাপক ড. আলীনূর রহমান প্রমুখ।