৪০ দিন ফজরের নামাজ জামাতে পড়ায় ‘সাইকেল’ পুরস্কার পেলো ৫২০ শিশু-কিশোর

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আনাস বিন ইউসুফ


তুরস্কের আকশাহর পৌরসভায় রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে শিশু কিশোরদের মাঝে (বিশেষ প্রতিযোগিতার পুরস্কার হিসেবে) বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। ৫২০ জন তুর্কি শিশু কিশোর– যারা টানা চল্লিশ দিন ধারাবাহিকভাবে ফজর নামাজ জামাতের সাথে আদায় করেছে তারা এই অভিনব পুরস্কার লাভ করেছেন।

“চলো মসজিদে যাই, ফজর নামাজে শরীক হই” স্লোগানে আকশাহর পৌরসভার এক বিশেষ প্রকল্পের আওতায় এবং নগরীর ইফতা বোর্ডের সহায়তায় ‘বাইসাইকেল বিতরণ’ এর এই উদ্যোগ গ্রহন করা হয়।

প্রতিযোগিতার লক্ষ্য ছিলো শিশুরা যাতে মসজিদে যেতে অভ্যস্ত হয়, নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারে এবং একত্ববাদ ও সমাজে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আকশাহর পৌরসভা প্রতিনিধি মুহাম্মদ আলিদী, পৌর-মেয়র সালেহ আক্কায়া ও মুফতী আহমদ কারদাশের উপস্থিতিতে শহরের সংস্কৃতি-বিষয়ক কার্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় শিশুদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এতে স্থানীয় কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।


সূত্র: তুর্কি পোস্ট


ইংল্যান্ডে একটানা ২৮ দিন ফজরের জামাতে অংশ নিলেই মাউন্টেন বাইক পুরস্কার! (ভিডিও)


১৬ বছর কিংবা এর থেকে কম বয়সী যে কেউ ১ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত একটানা ২৮ দিন ফজরের জামাতে অংশ নিলে শিশু-কিশো‍রদের জন্য বিশেষ পুরস্কার ঘোষণা করেছে ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে অবস্থিত ‘মসজিদ কামারুল ইসলাম’ কর্তৃপক্ষ। পুরস্কার হিসেবে তারা পাবে একটি করে মাউন্টেন বাইক।

এই আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তা হলেন ইমরান ও জুবায়ের নামের দুই তরুণ। তারা জানিয়েছে, পুরস্কার হিসেবে মাউন্টেন বাইক দেওয়ার কারণ হলো, যারা নতুন সাইকেল চালাতে শেখেন, তাদের সাধারণত মাউন্টেন বাইক চালাতে উৎসাহিত করা হয়। মাউন্টেন বাইকে ঝাঁকি কিছুটা কম হয়। গতি ও ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করাও অপেক্ষাকৃত সহজ।

উদ্যোক্তাদের অভিমত, মসজিদে কিশোর ও তরুণদের অংশগ্রহণের জন্য এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ জন্য বার্মিংহামে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে। ইতোমধ্যে শতাধিক অংশগ্রহণকারী এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, বেশ উৎসাহ নিয়ে শিশু-কিশোররা এই কয়দিন নামাজে অংশ নিয়েছেন। আজ ৬ দিন হলো- প্রথম দিন থেকে ফজরের নামাজে অংশ নেওয়াদের কেউ অনুপস্থিত থাকেনি। মসজিদে নামাজে অংশগ্রহণের জন্য তরুণদের উৎসাহিত করার লক্ষে এমন কর্মসূচি ইংল্যান্ডে এটাই প্রথম।

অনেক শিশু-কিশোরের মা-বাবা এমন কর্মসূচি ঘোষণা বেশ খুশি। পুরস্কার ঘোষণার পর শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করার জন্য অনেক মা নিয়মিত তাদের সন্তানদের সঙ্গে মসজিদে যান। তারা বলছেন, পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল বড় কথা নয়, বাচ্চারা এতে উৎসাহিত হচ্ছে জামাতে অংশ নিতে; সেটাই বড় বিষয়। এমন উদ্যোগের ফলে শিশু-কিশোরদের মাঝে নামাজের অভ্যাস গড়ে উঠবে।

প্রসঙ্গত, গত বছর তুরস্কের বিখ্যাত শহর ইস্তাম্বুলের ফাতেহ জেলার সুলতান সেলিম মসজিদ কর্তৃপক্ষ ৪০ দিন ফজরের নামাজে অংশগ্রহণকারীদের পুরুস্কৃত করেছিল।