জামায়াত-শিবিরের নতুন নাম আনসারুল্লাহ বাংলা টিম : দাবি পুলিশের

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

মো. মারুফ হাসানআনসারুল্লাহ বাংলা টিম এখন জামায়াত-শিবিরের নতুন নাম বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) মো. মারুফ হাসান।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-শিবির আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ব্যানারে কাজ করছে। এটি এখন তাদের নতুন নাম। দেশে নানান যে জঙ্গিগ্রুপ ছিল তাদেরকে দিয়েই জামায়াত-শিবির সক্রিয়ভাবে কাজ করানোর চেষ্টা করছে। নিজেরা এ ধরনের ষড়যন্ত্রের লিপ্ত হচ্ছে।’

রোববার (৩১ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে নগরীর কাঠঘর এলাকা থেকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের নিয়ে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে নগর ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন এ গোয়েন্দা অফিসার।

2016_08_01_16_1গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আতিকুল হাসান ইমন (২৬), জামশেদুল আলম হৃদয় (২১), আক্কাছ আলী নয়ন (২৩), মো. রুবেল (২৬) ও মহিউদ্দিন (১৮)।

চট্টগ্রাম ভূজপুর থানার দাঁতমারা ইউনিয়নের আবুল খায়েরের ছেলে আক্কাছ আলী। নগরীর ডবলমুরিং থানার পাঠানটুলীর মেখ মুজিব রোডের মো.ফেরদৌসের ছেলে অাতিকুল হাসান। হাটহাজারী থানার আমানবাজার এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে জামশেদুল আলম। চট্টগ্রাম রাউজান থানার পূর্ব গুজরার আমির হামজার ছেলে রুবেল ও রাঙ্গুনিয়া থানার মো. ইসমাইলের ছেলে মহিউদ্দিন।

এসময় তাদের কাছ থেকে ব্যবহৃত ২টি ল্যাপটপ , ৭টি মোবাইল ও শতাধিক ‘জিহাদি’ লিপলেট উদ্ধার করা হয় বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এদের মধ্যে আক্কাছ আলী নয়ন শিবিরের ‘সাথী’ (পদবী), এমন তথ্যও অাছে বলে দাবি করেন উপ কমিশনার মো. মারুফ হাসান। এছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া একজন মাদরাসায় পড়াশুনা করেছেন, বাকি সবাই সাধারণ শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত বলেও জানান তিনি।

উপ কমিশনার মো. মারুফ হাসান আরো বলেন, ‘আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে জানতে পারি আক্কাছ আলী নয়ন ছাড়া বাকি চারজন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সক্রীয় সদস্য। তারা পতেঙ্গা থানার কাঠঘর এলাকার নামীয় বাড়ির চতুর্থ তলায় গোপন বৈঠক করছিল। এতে নেতৃত্ব দিয়ে বিভিন্ন হামলার পরিকল্পনা চক করছিল শিবিরের সাথি আক্কাছ আলি।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাথে এক সাথে কাজ করছে শিবির। জামায়াত শিবির আনসারুল্লাহ বাংলা টিমসহ অন্য জঙ্গিগ্রুপদের সঙ্গে কাজ করছে। জঙ্গি গ্রুপদের সহযোগিতাও করছে তারা। এমনকি দেশে বিভিন্ন স্থানে নাশকতা চালাতে পরিকল্পনা নিচ্ছে জামায়াত-শিবির।’