নারী বিসিএস ক্যাডার সিনথিয়াকে অপহরণ করা হয়নি, তিনি স্বেচ্ছায় তাঁর স্বামীর সাথে চলে গেছেন

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | সোহেল আহম্মেদ


৩৭ তম বিসিএস এ উত্তীর্ণ নারী ক্যাডার তাসলিমা সুলতানা সিনথিয়াকে অপহরণ করা হয়নি, তিনি স্বেচ্ছায় তাঁর স্বামীর সাথে চলে গেছেন বলে দাবী করেছেন অপহরণ মামলার প্রধান আসামি রাতুল হাসান বাবুর আপন চাচা এবং কেন্দুয়া পৌরসভার বর্তমান মেয়র মোঃ আসাদুল হক ভূঞা।

বৃহস্পতিবার তাঁর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এটি অপহরনের কোন ঘটনা নয়। ৩৭ তম বিসিএস এ উত্তীর্ন তাসলিমা সুলতানা সিনথিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই রাতুল হাসান বাবুর প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। প্রেম সম্পর্কের কারণেই প্রাপ্ত বয়ষ্ক ছেলে মেয়ে দুজনে মিলে চলতি বছরের গত ১১ আগস্ট ৩৬১ এলিফ্যান্ট রোড নিউ মার্কেট ঢাকা-১২০৫ কাজী মো: বিল্লাল হোছাইনের অফিসে রেজিষ্ট্রী কাবিন মূলে ৩ লাখ টাকার দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে হয়। বিয়ের পর সিনথিয়া তার বাবার বাড়িতে যায়। এর পর সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিনথিয়াকে বধু হিসেবে বরণ করার জন্য সিনথিয়ার মামা আশরাফ উদ্দিন ভূঞার সাথে আমাদের আলাপ আলোচনা চলছিল। এতে তার মা বাবা ও মামার পক্ষ থেকে তেমন কোন সারা না পেয়ে সিনথিয়া নিজেই রাতুল হাসান বাবুকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে চলে যায়। তিনি আরো বলেন, তাদের স্বাধীন মতামতের উপর আমাদের সমর্থন দেয়াই উচিত বলে আমি মনে করি।

এ ব্যাপারে সিনথিয়ার মামা আশরাফ উদ্দিন ভূঞার বলেন,মেয়র আমাকে প্রস্থাব দিলেও আমি সঙ্গে সঙ্গেই তা প্রত্যাখান করে দিয়েছি। এখন আমাদের একটাই দাবী সিনথিয়া উদ্ধার হলেই সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটবে।

উল্লেখ্য, বুধবার সিনথিয়ার মা রাজিয়া সুলতানা কেন্দুয়া পৌরসভার প্রয়াত মেয়র আব্দুুল হক ভুঁইয়ার ছোট ছেলে এবং বর্তমান মেয়র আসাদুল হক ভূঞার ভাতিজা রাতুল হাসান বাবু, বাজার কমিটির সভাপতি এনামুল হক ভুঁইয়ার ছেলে সাফিম, মুক্তিযোদ্ধা হাদিছ মিয়ার ছেলে জুনায়েদ, তার ভাই পুলক ও কাউরাট গ্রামের মোজাম্মেল হক সহ আরো অজ্ঞাতনামা ১৫ -২০ জনকে আসামী করে কেন্দুয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উলেখিত আসামিদের সহায়তায় অস্ত্রের মুখে জোরপুর্বক প্রধান আসামি রাতুল হাসান বাবু সিনথিয়াকে সিএনজিতে তুলে অপহরন করে নিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।