ধর্মহীন শিক্ষানীতি দেশের স্বাধীনতার জন্য হুমকি স্বরূপ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

1960883482_oসন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ইসলামের বিশুদ্ধ শিক্ষার চর্চা, শিক্ষানীতি ২০১০ ও শিক্ষাআইন ২০১৬ বাতিল এবং ইসলামী চেতনাশূন্য পাঠ্যসূচি সংশোধনের দাবিতে আগামী ৫ আগষ্ট লালদীঘি চত্বরের ছাত্র গনসমাবেশ সফল করার লক্ষে ইসলামী ছাত্র খেলাফত কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি, সর্বদলীয় ইসলামী ছাত্র ঐক্যের চট্টগ্রাম মহানগর আহবায়ক মাওলানা ইকবাল খলিলের নেতৃত্বে সর্বদলীয় ইসলামী ছাত্র ঐক্যের নেতৃবৃন্দরা আজ চট্টগ্রাম মহানগর ও উত্তর চট্টগ্রামের হাটহাজারি মাদ্রাসা, নানুপূর মাদ্রাসা, বাবুনগর মাদ্রাসাসহ সকল মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে আমীরে হেফাজত আল্লামা আহমদ শফি, সিনিয়র নায়েবে আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর সাথে ৫ আগষ্ঠের সমাবেশ নিয়ে একান্ত আলাপ করেন ও সফলতার জন্য দোয়া কামনা করেন।

নেতৃবৃন্দগণ সমাবেশ সফলতার জন্য দোয়া করেন এবং প্রতিটি মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষককে আগামী ৫ তারিখের ছাত্র সমাবেশে যোগদান করার জন্য আহবান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সর্বদলীয় ইসলামী ছাত্র ঐক্যের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ইসলামী ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাসুদ খান, সর্বদলীয় ইসলামী ছাত্র ঐক্যের চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব ও ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য মু. তাজুল ইসলাম শাহীন, যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইসলামী ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় নেতা আনোয়ার হোসেন রব্বানী। সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র খেলাফত নগর সভাপতি ওসমান কাসেমী, ইসলামী ছাত্র মজলিসের নগর সভাপতি মু. মুফীদুল ইসলাম, ইত্তেহাদুল মুসলিমীনের ইমরানুল হক, মু. নিজাম উদ্দিন মাহমুদুল হাসান, মু. আরিফুর রহমান, নুরুল বশর আজিজি, মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, আতাউর রহমান প্রমুখ।

বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময়কালে নেতৃবৃন্দরা বলেন, দেশের একশ্রেণীর ইসলাম বিদ্ধেষী বুদ্ধিজীবি বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে একের পর এক ইসলাম বিরোধী কাজ করে যাচ্ছে। তারা সরকারকে বাংলাদেশের মত একটি মুসলিম দেশে ইসলাম বিরোধী আইন কানুন প্রতিষ্ঠা করার জন্য উদ্বোদ্ধ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারও তাদের ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মহীন শিক্ষানীতি চালু করতে যাচ্ছে। নেতৃবৃন্দরা বলেন, এই ধরনের শিক্ষানীতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে চালু হলে ভবিষ্যত বাংলাদেশ ধর্মহীন ও সেকুলার রাষ্ট্রে পরিণত হবে। সমাজ থেকে ধর্মীয় আবেগ অনুভূতি উঠে যাবে। নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, তখন ইসলামী শিক্ষা না থাকার কারনে সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়ে যাবে। ফলে এক ধরনের ভয়ানক পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষ। যা কারোর জন্য কাম্য নয়। বক্তরা আরো বলেন, শিক্ষানীতি ২০১০ ও শিক্ষা আইন ২০১৬ শুধু ইসলামের জন্য ক্ষতির স্বরূপ তা নয়। বরং এই শিক্ষানীতি ও শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন হলে দেশ ও দেশের স্বাধীনতা ও সার্ভৌমত্ব ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা সরকারের কাছে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও দেশের মানুষের ধর্মীয় আবেগ অনুভূতি রক্ষার স্বার্থে শিক্ষানীতি ২০১০ ও শিক্ষা আইন ২০১৬ বাতিল করে দেশের সকল প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানাচ্ছি। নেতৃবৃন্দরা আগামী ৫ আগষ্ট লালদীঘি চত্বরে এ দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ছাত্র গণসমাবেশে বীর চট্টলার সর্বস্তরের ছাত্রজনতাকে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান।