অপারেটর বদল করতে আবেদন করে ব্যর্থ হয়েছেন অর্ধেকের বেশি গ্রাহক

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক



মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা এমএনপিতে প্রথম পাঁচ দিনে অপারেটর বদল করতে আবেদন করে ব্যর্থ হয়েছেন প্রায় অর্ধেকের বেশি গ্রাহক। এই পাঁচ দিনে অপারেটর পরিবর্তনের অনুরোধ করেছেন ১০ হাজার ১২২ জন গ্রাহক। যার অর্ধেকেরও বেশি ৫ হাজার ৮৬২ জন গ্রাহক অপারেটর পরিবর্তন করতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। আর ৭৯ জন গ্রাহক আবেদন করে অপেক্ষায় আছেন।

অপারেটর পরিবর্তনের আবেদনের মধ্যে গ্রামীণফোন ছাড়তে চেয়েছেন সবচেয়ে বেশি ৪ হাজার ৬১৬ জন গ্রাহক। এদিকে এখন অপারেটর পরিবর্তনে যে ১০০ টাকা সিম ট্যাক্স দিতে হচ্ছে, সেটা মওকুফ হচ্ছে। যার ফলে ৫৭.৫০ টাকায় গ্রাহকরা এই সুবিধা নিতে পারবেন।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান বলেন, তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ‘অর্ধেক গ্রাহকের আবেদন সফল হয়নি। আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে কোন কোন অপারেটর ইচ্ছে করেই গ্রাহকের একাউন্টে ৫ টাকা দিয়ে দিচ্ছে, ফলে কারো একাউন্টে টাকা থাকলে সেটা আর পোর্টিং হচ্ছে না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কারো একাউন্টে টাকা থাকলে ১ নভেম্বরের আগে সেটা পোর্টিং করা যাবে না। কারণ ওই টাকা কোথায় যাবে, সেটার বিষয়ে নির্দেশনা আসেনি। আমরা আশা করছি ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এই সংক্রান্ত নির্দেশনা এসে যাবে। আর আমরা তদন্ত করছি, কোন অপারেটর এই কাজ করছে, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

বিটিআরসির প্রকাশ করা তালিকায় দেখা গেছে, গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা সবচেয়ে বেশি অপারেটর বদল করেছে। পাঁচ দিনে গ্রামীণফোনের মোট ৪ হাজার ৬১৬ জন গ্রাহক অপারেটর বদলের আবেদন করেছে। এই সময়ে ৬৮২ জন গ্রামীণফোনে এসেছেন। এর মধ্যে টেলিটক থেকে ২৫, রবি থেকে ৩৩১ এবং বাংলালিংক থেকে ৩২৬ গ্রাহক। জিপি থেকে টেলিটকে ২৮, রবিতে ১ হাজার ৩৫৬ ও বাংলালিংকে গেছেন ৪৫০ জন।

প্রথম পাঁচ দিনে অপারেটর বদল করে টেলিটকে এসেছে ৮৯ জন। আর টেলিটক থেকে অন্য অপারেটরে গেছে ১৩০ জন। রবি থেকে অন্য অপারেটরে গেছে ৯৭২ গ্রাহক। বাংলালিংক থেকে অন্য অপারেটরে গেছে ১ হাজার ২৭৬ জন।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জিপিতে আসতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে ৮৩৩ জন। আর জিপি থেকে অন্য অপারেটরে যেতে ব্যর্থ হয়েছে দুই হাজার ৭৮২ জন। রবিতে আসতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে ৩ হাজার ৮৬২ জন। রবি থেকে অন্য অপারেটরে যেতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে ৯৮২ জন।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ