হেফজতের কর্মীরা প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ রক্ষা করবে

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

2016-08-12_222618শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে দমানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর নায়েবে আমীর ও ঢাকা মহানগরের আহবায়ক আল্লামা নূর হোসাইন কাশেমী।

তিনি বলেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ইসলামকে ধংস করার মিশনে নেমে উঠেছে। সেটা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশও মিশন শুরু করেছে। তাই হেফাজতে ইসলাম এগিয়ে এসেছে। শরীরে রক্তবিন্দু থাকতে সেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে দমিয়ে শান্তি আনতে হবে।

শুক্রবার ১২ আগস্ট বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের ডিআইটি ঐতিহাসিক চত্ত্বরে জঙ্গী, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলা হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষানীতির মাধ্যমে কওমী মাদ্রাসার লাগাম টেনে ধরার চেষ্টা চলছে। এটা হলে দেশের তৌহিদী জনতা মেনে নিবে না। তখন বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হবে।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ রক্ষার জন্য হেফাজত ইসলাম প্রয়োজন। সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ রুখে দিতে হেফাজত ইসলাম প্রয়োজন। হেফাজত ইসলাম সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ পছন্দ করে না। হেফাজত ইসলাম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায় কিন্তু সেটা সন্ত্রাসী জঙ্গিবাদের মধ্যি দিয়ে না। হেফজত ইসলামে কর্মীরা প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ রক্ষা করবে। ৯৫ শতকরা ইসলামের দেশে জঙ্গিবাদ থাকতে দিবে না। ইসলামকে কলঙ্কিত হতে দিবে না। সরকারের এতদিন পর বুঝতে পেরেছে হেফাজত ইসলাম ইসলামের কথা বলে জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসের কথা বলে না। সবাইকে ইসলাম সম্পর্কে জানতে হবে শিখতে হবে। যাদের মধ্যে ইসলামের শিখা নেই তারাই জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস করে।

নারায়ণগঞ্জ ডিআইটি মসজিদের খতিব জেলা হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর আহ্বায়ক মাওলানা আবদুল আউয়ালের সভাপতিত্ব এবং মহানগর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান, মুফতি আনিস আনসারী ও মুফতি হারুনুর রশিদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা আবদুল কাদের, সাখাওয়াত হোসেন, আবদুল কাদির, জমিকউদ্দিন ফারুকী, আতাউল হক সরকার, বদরুল আলম সিলেটি, তৈয়্যব আল হোসাইন, বশিরউল্লাহ, মহিউদ্দিন খান, হারুনুর রশিদ, আবুল হাশেম, ইসমাইল আব্বাসি, নাছিরউদ্দিন, আবু বকর, জমিসউদ্দিন আল হাবিব, ওবায়দুল কাদের নাদভী, আবদুর রহমান, হাবিবুর রহমান, কবির হোসাইন, রহমতউল্লাহ বুখারী, মীর সাহয়াদুল্লাহ প্রমুখ।