তুরস্ক মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম: এরদোগান

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আরিফ মুসতাহসান



তুরস্ক প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, তুরস্ক একমাত্র দেশ যারা ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, ভৌগলিক অবস্থান ও সাংস্কৃতিক সম্পদ নিয়ে মুসলিম বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।

গতকাল ১৫ অক্টোবর সোমবার রাজধানী আঙ্কারায় রাজ্য বিচারপতিদের সাথে যৌথ বৈঠক শেষে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, তুরস্কের সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি অনেক বিশাল। এখানে সব মতবাদের লোকেরা নিরাপদে বসবাস করে।

এরদোগান মসজিদের দরজা উন্মুক্ত রাখার কথা উল্লেখ করে বলেন, আপনারা মসজিদ এমনভাবে বানাবেন যাতে সবধরনের লোকেরা নামাজ আদায় করতে পারে। আর সবার নামাজ শেষ হলে তারা জেনো নিজেরাই তা বন্ধ করতে পারে।

এসময় তিনি ১৫ জুলাইয়ের গুলেন সংগঠনের বিশ্বাসঘাতকতার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের আত্মসমালোচনা করার সাহস রাখতে হবে। দেশের স্বাধীনতা বিরোধী এমন সংগঠনগুলোকে রুখে দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, গুলেন সংগঠনের অভ্যুত্থানের সময় সত্যই জয়ী হয়েছিলো। তবে আমি বলবো আমরা দেরি করে ফেলেছিলাম তাই আমরা এর খেসারত দিয়েছি। তবে এধরনের ঘটনা যাতে আগামীতে না হয় তার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


সূত্র: তুর্কি পোস্ট


৫৭টি মুসলিম দেশকে নিয়ে ‘ইসলামি সেনাবাহিনী’ গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এরদোগান
মার্চ ২৪, ২০১৮
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


৫৭টি মুসলিম দেশকে একত্রিত করে একটি বিশাল ইসলামি সেনাবাহিনী গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তায়্যিব এরদোগান।

এটিকে ‘আর্মি অব ইসলাম’ বা ‘ইসলামি আর্মি’ নামে অভিহিত করা হবে। খবর তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি সাফাকের।

মূলত ইহুদিবাদি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইলকে রুখতে ৫ মিলিয়ন শক্তিশালী এই সেনাবাহিনী গঠন করা হবে।

ইতোমধ্যেই এ সেনাবাহিনী গঠনে ওআইসি ভুক্ত ৫৭ দেশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে, যারা ইসরায়েলের আক্রমণ প্রতিরোধ, প্রয়োজনে দখল করার সমার্থ্য রাখবে।

ইসরাইলি আক্রমণ প্রতিরোধ করা ছাড়াও বিভিন্ন ইসলামি সঙ্কটে ইসলামি আর্মি যাতে আক্রমণ চালাতে পারে তার জন্য এই ধরনের বিশাল সেনাবাহিনী গঠনে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার ৫৭টি সদস্য দেশের কাছে মতামত চাওয়া হয়েছে।

যদি ওআইসি সদস্য দেশ ‘ইসলামি আর্মি’ গঠন করতে সম্মত হয়, তবে এটা দখলদার ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হবে।

উল্লেখ্য, ওআইসি সদস্য দেশগুলোর জনসংখ্যা ১৬৭,৪৫,২৬,৯৩১ জন এবং এসব দেশের মধ্যে সক্রিয় সামরিক বাহিনী ৫২ লাখেরও বেশি এবং তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট ১৭৪ বিলিয়ন ৭০ কোটি ডলার।

অন্যদিকে, ইসরাইলের মোট জনসংখ্যা ৮০ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৪ জন এবং এর সক্রিয় সামরিক বাহিনী মাত্র ১৬০,০০০ জন এবং প্রতিরক্ষা বাজেট ১৫ বিলিয়ন ৬০ কোটি ডলার।