জাবিতে কোনো ধরনের ভর্তি বৈষম্য সহ্য করা হবে না: ইশা ছাত্র আন্দোলন

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট



ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধার অবমূল্যায়ন করে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের সাথে বৈষম্য মূলক আচরণ করা হচ্ছে। এই আচরণ হিংসাত্মক, সাম্প্রদায়িক ও অসংবিধানিক। দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাদরাসার শিক্ষার্থীরা বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পলন করেছিলো। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় মেধা ও যোগ্যতার প্রশ্নে উত্তীর্ণ হবার পরেও মাদরাসা শিক্ষার্থীরা বর্নবাদী, সাম্প্রদায়িক, পশ্চাৎপদতা ও জুলুমের শিকার হচ্ছে।

আজ ২০ অক্টোবর’১৮ শনিবার বেলা ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বৈষম্যের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

মানববন্ধনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনগণের টাকায় পরিচালিত হয়। মাদরাসা শিক্ষার্থীরা এই দেশ ও মাটির সন্তান। তাদের প্রতি কোন ধরনের বৈষম্য সহ্য করা হবে না। মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষে দাখিল ও ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষের আলিম পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষর্থী ও মাদরাসা শিক্ষর্থীদের সিলেবাস এক ও অভিন্ন করে। তাহলে কেন এই বৈষম্য। এই বৈষম্যের কারণে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর সেক্রেটারি জেনারেল এম. হাছিবুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মুহাম্মাদ জিয়াউল হক জিয়া, প্রকাশনা সম্পাদক একেএম আব্দুজ্জাহের আরেফী, কলেজ সম্পাদক জি এম বায়েজীদ, স্কুল সম্পাদক এম এম শোয়াইব, কওমি মাদরাসা সম্পাদক ইউসুফ আহমাদ মানসুর, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রিয়াদ প্রমুখ।