জানুয়ারি ২৩, ২০১৭

আজ জাতীয় শোকদিবস

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

ab1424236065আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বিপথগামী কিছু সেনাসদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে। রক্তের বন্যা বয়ে যায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে। তবে দেশের বাইরে থাকায় এ সময় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। শোকাবহ এই দিনটি পালনে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বেতার, টিভিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংবাদমাধ্যম বিশেষ ক্রোড়পত্রসহ বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করছে। আজ সরকারি ছুটি।

রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ তার বাণীতে জাতীয় শোক দিবসে শোকাহত চিত্তে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সাথে রাষ্ট্রপতি জাতীয় শোক দিবসে শোককে শক্তিতে পরিণত করে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

পৃথক বাণীতে বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একাত্তরে পরাজিত শক্তি এখনো দেশ ও জাতির অব্যাহত অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে বিভিন্ন অপকৌশলে লিপ্ত রয়েছে। তারা জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপপ্রয়াস চলাচ্ছে। এ দেশের মাটিতে কোনো জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের ঠাঁই হবে না। জঙ্গিবাদকে সমূলে উৎপাটন করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা হবে।

বঙ্গবন্ধুকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে তার স্বপ্ন সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সবাইকে সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করতে হবে।

বাণীতে তিনি বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু যখন সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী চক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। এর মধ্য দিয়ে তারা বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করার অপপ্রয়াস চালায়। অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোকে ভেঙে ফেলাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে আগামী ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।