অভিনব পন্থায় যাত্রীদেরকে ট্রেনের টিকেট কাটতে উদ্বুদ্ধকরণ

জানুয়ারি ১২, ২০২০ সোহেল আহম্মেদ

রবিবার (১২ জানুয়ারি) ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হওয়ায় ট্রেন বাসসহ অন্যান্য সকল যানবাহনে ঘরমুখো মুসুল্লিদের উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা যায়।

ওইদিন রাতে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনের অফিসরুম হতে মাইকের মাধ্যমে যাত্রীদেরকে এক অভিনব পন্থায় টিকেট কাটার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে দেখা যায়। এসময় রেলওয়ে স্টেশনের অফিসরুম হতে একটি পুরুষ কন্ঠ থেকে নিম্নোক্ত কথাগুলো ভেসে আসছিলো- ‘সম্মানিত যাত্রীবৃন্দ, আপনারা অবশ্যই টিকেট করে তারপর ট্রেনে ভ্রমণ করবেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি জাতীয় সম্পদ। আপনি যদি টিকেট ছাড়া ট্রেনে ভ্রমণ করেন তাহলে দেশের ১৭ কোটি মানুষের কাছে দায়ী থাকবেন। এতে করে আপনার তাবলীগি সফরে সওয়াবের পরিবর্তে গুনাহ্ হবে। তাই অবশ্যই সকল যাত্রী সাধারণ টিকেট করে তারপর ট্রেনে ভ্রমণ করবেন।’

এসময় মাইকে আরো বলতে শুনা যায়, ‘সম্মানিত যাত্রীবৃন্দ, আপনাদের কোনো সাথী ভাইয়ের কাছে যদি টিকেট করার টাকা না থাকে তাহলে ওই ভাইকে টিকেট করতে সহায়তা করুন। কেউই বিনা টিকেটে ভ্রমণ করবেননা। ধন্যবাদ।’

প্রসঙ্গত, ১০-১২ জানুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহৎ মিলনমেলা ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা। এতে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি লোকের সমাগম হয়। ইজতেমা ময়দানের মূল তাঁবুতে স্থান সংকুলান না হওয়ায় ময়দানের আশপাশের সব জায়গা জুড়ে মুসুল্লিরা তাঁবু খাটিয়ে শত কষ্টে তিনদিন অবস্থান করেন। কেউ কেউ নৌকা ভাড়া করে সেখানেও থাকেন। আবার কেউ কেউ বাসা ভাড়া করে থাকেন। আবার অনেক জামাত স্থান না পেয়ে ফিরেও যায়। এবারের বিশ্ব ইজতেমা থেকে প্রায় দুই সহস্রাধিক জামাত দাওয়াতে তাবলীগের মেহনত নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় বের হয়। তাছাড়া প্রায় শতাধিক বিদেশি জামাতও আল্লাহর রাস্তায় বের হয়।