অর্ধযুগ পেরিয়ে ইনসাফ সত্যপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে

হাবীব আনওয়ার | তরুণ লেখক, সাংবাদিক


সোজাসাপ্টা কথা হচ্ছে মিডিয়া জগতে আলেমদের পদচারণা চাহিদার থেকে অপ্রতুল। একটা সময় মিডিয়াকে একটা ফেতনা ফতুয়া দিলেও সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এখন অনেকটা নমনীয় আমাদের আকাবির হযরতগণ। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মিডিয়াকে একটা অদৃশ্য শক্তি মনে করি। মিডিয়ার প্রভাব-প্রতিপত্তি এত বেশি যা আমাদের কল্পনায় হয়তো আসে না। একটা মিডিয়া মানে একটা উত্থান। মিডিয়া মানে পরিবর্তন। মিডিয়া মানে সময়ের বিপরীত শ্রোত। মিডিয়া মানে কল্পনার রাজ্যেরের বাহিরের একটা জগৎ। আমরা সাধারণ চোখে যা দেখি মিডিয়া তার বিপরীত কিছু খুঁজে বের করে। মোট কথা মিডিয়ার উত্থান কোন ভাবেই অস্বীকার করা মত নয়।

ইতিহাসের পেছনে তাকালে আমরা দেখতে পাই উসমানী সাম্রাজ্য ধ্বংসের পেছনের বড় শক্তি ছিল মিডিয়া। হেফাজতের উত্থানের নেপথ্য ছিল দৈনিক আমার দেশ, ইসলামি টিভি, দিগন্ত টিভিসহ বিভিন্ন মিডিয়া। মফস্বলের এক মাহফিলের বয়ানের তেতুল শব্দকে সংসদ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ আলেম শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী দা. বা. কে হেয় করার পেছনেও ছিল মিডিয়া। শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ. কে জঙ্গি হোতা বানানো, সর্বশেষ আপোষহীন বীর সিপাহসালার আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী হাফি. এর বিরুদ্ধে মিথ্যা বিষোদগার ও আল মারকাজুল ইসলামকে নিয়ে বানোয়াট খবর প্রচারে মিডিয়ার ভূমিকা আমাদের চোখের সামনে। মোট কথা তালকে তিল আর হিরোকে জিরো বানানোর কৌশল মিডিয়ার নখদর্পনে।

দুঃখজনক হলেও সত্য যে দেশের প্রায় সবগুলো মিডিয়া ইসলাম বিদ্বেষী মনোভাব নিয়ে পরিচালিত। এর বিপরীতে শক্ত অবস্থান নিতে হলে নিজস্ব বলায়ে মিডিয়া তৈরির কোন বিকল্প নেই।

তবে আশার কথা হচ্ছে, কিছু তরুণ তুর্কী খুব অল্পপরিসরে ইসলামি মিডিয়াকে প্রমোট করতে এগিয়ে এসেছেন। তাদের মধ্যে প্রথম সারিতে আছেন, জনাব মাহফুজ খন্দকার। দৃঢ় মনোবল ও কর্মঠ মাহফুজ খন্দকারের সম্পাদিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইনসাফ হাঁটিহাটি পা পা করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। দীর্ঘ অর্ধযুগে অনেক কাঠখড় আর প্রতিকূলতা পেড়িয়ে আজ সত্যপ্রেমী জনতার হৃদয়ে।
আশা করি মিডিয়া সন্ত্রাসের মোকাবেলায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে এগিয়ে যাবে সন্তর্পণে।

ইনসাফের সম্মানিত উপদেষ্টা, সম্পাদক, রিপোর্টারসহ সকল শুভাকাঙ্খীদের প্রতি রইলো বিশেষ ভালোবাসা ও অভিনন্দন। আগামীর পথচলা হোক সুন্দর ও উদ্যামী।