আগামীকাল থেকে ‘কঠোর হচ্ছে’ সেনাবাহিনী

দেশে নভেল করোনাভাইরাসের মহামারী থেকে দেশবাসীকে নিরাপদ রাখতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর হতে যাচ্ছে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় নামা সেনাবাহিনী।

বুধবার (১ এপ্রিল) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তার থেকে সুরক্ষায় গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে এই সময়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাইরে না বের হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বিদেশ ফেরত সবাইকে বলা হয়েছে কোয়ারেন্টিনে থাকতে।

সরকারের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে ২৪ মার্চ থেকে সশস্ত্র বাহিনীও কাজ করছে। ৬২ জেলায় পাঁচ হাজারের বেশি সেনা সদস্য এখন কাজ করছেন।

শুরুতে মানুষের মধ্যে নির্দেশনা পালনের প্রবণতা দেখা দিলেও দুই-তিন পরই ঢিলেঢালাভাব দেখা যাচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বুধবারই অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি পুরান ঢাকায় কিংবা ঢাকার কিছু কিছু এলাকায়, ঢাকার আশেপাশে, ইউনিয়নে, গ্রামে গঞ্জে মানুষজন ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছেন, বাইরে ঘোরাফেরা করছেন, চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছেন। এসব করবেন না। এতে করে সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে যাবে।”

এদিনই সেনাবাহিনীর কঠোর বার্তা এলো। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সেনাবাহিনী আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার অংশ হিসেবে দেশের সকল স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হোম কোয়ারেন্টিনের বিষয়টি কঠোরভাবে নিশ্চিত করবে। সরকার প্রদত্ত নির্দেশাবলী অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছিলেন, নভেল করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে যত সংখ্যক সেনা সদস্য মোতায়েন প্রয়োজন, তা করা হবে।