২৩ এপ্রিল | গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জন মারা গেছে

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ১২৭ জনে। নতুন শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪১৪ জন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১৮৬ জনে।
আজ বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাস নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
উল্লেখ্য, গেল ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সাধারণের চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকার। বন্ধ ঘোষণা করা হয় সরকারি-বেসরকারি সব অফিস। সেই ছুটি কয়েক দফায় বাড়িয়ে করা হয় ৫ মে পর্যন্ত।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিশ্বে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মৃত্যুর সংখ্যা তিন শতাধিক।
যারা ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে আসছেন বা আগামীতে আসবেন, তাদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলে জানান তিনি।
ভিআইপিদের জন্য আলাদা কোনো হাসপাতাল তৈরি হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যান্য হাসপাতালের চিকিৎসা স্বাভাবিক আছে।
গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম করোনায় মৃত্যুর খবর দেয় আইইডিসিআর। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীর রাস্তাঘাট অনেকটা ফাঁকা হয়ে যায়।

১৮ মার্চ থেকে এক-দুই-তিন দিন পর পর মৃত্যুর খবর দিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ৩ এপ্রিল থেকে প্রতিদিন মৃত্যুর খবর দিয়ে আসছে তারা। এরই মধ্যে ১৭ এপ্রিল ১৫ জনের মৃত্যুর তথ্য দেয়া হয়। এটি ছিল একদিনে সর্বাধিক মৃত্যু।
বাংলাদেশে আক্রান্তদের মধ্যে তিন দশমিক ৪ শতাংশ মৃত্যুর হার। তবে কারও কারও ধারণা, এটি বাস্তব পরিস্থিতি নয়। আক্রান্তদের অনেকেই শনাক্ত হচ্ছেন না।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে বৈশ্বিকভাবে মৃত্যুর হার ৩ শতাংশ। যাদের বয়স বেশি, যারা আগে থেকে অন্য রোগে ভুগছেন, তাদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি।