আজ থেকে এক বছর আগে সংসদে পাস হয় কওমী মাদরাসা সনদের স্বীকৃতি বিল

September 19, 2019

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


২০১৮ সালের আজকের দিনে জাতীয় সংসদে কওমী মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছিল।

গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর বুধবার জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসরাম নাহিদ। স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছিলেন, ‘আল হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কাওমিয়া বাংলাদেশের অধীন কওমি মাদরাসা সমূহের দাওরায়ে হাদিস তাকমিলের সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবির সমমান প্রদান) বিল ২০১৮’- সংসদে উত্থাপন করেন।

বিল উত্থাপনের সময়  শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম বলেছিলেন, আমরা সকলে এই বিলের ঐতিহাসিক পটভূমি গুরুত্ব ও তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারছি। ২০০ বছরের অধিক সময় ধরে কওমী মাদরাসার শিক্ষার্থীরা স্বীকৃতির জন্য আন্দোলন করে আসছে। ১৫ লক্ষ শিক্ষার্থী এ শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। প্রতি বছর প্রায় ৩ থেকে ৪ লক্ষ শিক্ষার্থী প্রতি বছর শিক্ষা সমাপ্ত করছে। এখন তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেছিলেন, অন্যান্য বিলের ক্ষেত্রে যে পরিমাণ জনমত যাচাই ও বাছাই করা হয় তার চাইতে বেশি এ বিলের ক্ষেত্রে হয়েছে। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদরাসার বোর্ডগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা কেরে আসছেন। এখন আর নতুন করে কোন যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন আসে না।

এর আগে ২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। আর সেদিনই বর্তমান সংসদের শেষ অধিবেশনে বিলটি তোলার কথা জানানো হয়। এরও আগে ২০১৭ সালের এপ্রিলেই এই স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল কওমী মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদকে ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন গণভবনে আল্লামা শাহ আহমদ শফীসহ দেশের শীর্ষ প্রায় ৩০০ আলেম উপস্থিত ছিলেন।