ইনসাফকে নিয়ে আমি গর্ব করি, স্বপ্ন দেখি!

মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফাহিম | শিক্ষার্থী : জামিয়াতু ইব্রাহীম সাইনবোর্ড, ঢাকা


আজ যখন বাসায়, বাজারে কিংবা মাদ্রাসায়,সর্বত্র মিডিয়া নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা হয়,তখন আমি মনেমনে এবং প্রকাশ্যে ইনসাফকে নিয়ে গর্ব করি।

সেই ২০১৩ সালে হলুদ মিডিয়াগুলো যখন বিভিন্নভাবে ইসলামকে নিয়ে কটাক্ষ ও হেয়প্রতিপন্ন করছিল, তখন আমার ছোট্ট হৃদয়ে অব্যক্ত একটি আফসোস ক্ষণে ক্ষণে নড়ে উঠত— তাদের এই আস্ফালন প্রতিহত করে তাদেরকে জবাব দেয়ার মতো একটি ইসলামি পত্রিকার আবির্ভাব কবে হবে? যা অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রিক সব ভার্সনে প্রতিষ্ঠিত হবে!

৫ মের ঘটনায় হৃদয়ের রক্তক্ষরণ অবস্থাতেই পরের বছর ঠিক একই দিনে অর্থাৎ ২০১৪ সালের ৫মে সম্পাদক সাইয়েদ মাহফুজ খন্দকার সাহেবের হাতে প্রতিষ্ঠিত হলো আস্থার প্রতিক ইসলামি ঘরোনার সর্বপ্রথম অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ।

ইনসাফের প্রতিষ্ঠায় আমার মতো অনেকের হৃদয়ের দুঃখ ব্যথাগুলো অনেকটাই উপশম হয়ে যায়।

ইনসাফ তার সততা, দৃঢ়তা ও একনিষ্ঠতার মাধ্যমে পাঠকের মনে বেশ সাড়া ফেলেছে। একারণে আমরা দেখতে পাই মাত্র ৬ বছরে ইনসাফ অকল্পনীয়ভাবে বহু দূর এগিয়ে গিয়েছে। এখন ইনসাফ দীর্ঘ অর্ধ যুগ অতিক্রম করে পদর্পন করেছে সপ্তম বছরে।দোয়া করি ইনসাফ বেঁচে থাকুক হাজার বছর।

তবে স্বপ্নটা এখনো পূর্ণ হয়নি। আমি স্বপ্ন দেখি—প্রতিদিন সকালে হকার সাইকেলে করে অন্যান্য জাতীয় পত্রিকাগুলোর মাঝখান থেকে আমার প্রিয় ইনসাফের একটি তকতকে কপি আমার হাতে তুলে দিয়ে যাবে। যেখানে থাকবে ইসলামের পক্ষে কথা, জালিমের বিরুদ্ধে মাজলুমের পক্ষে কথা। থাকবে ইনসাফ তথা ন্যায়ের কথা। কামনা করি আল্লাহ আমাদের এই স্বপ্ন কবুল করুন।

আজ অর্ধযুগপূর্তী উপলক্ষে ইনসাফের সম্পাদক সাইয়েদ মাহফুজ খন্দকার সাহেব ও ইনসাফের সকল কর্মীকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।