আস্থার পুরোটা জায়গাজুড়ে ইনসাফ

মোঃ সাজিদুল হক হুজাইফা | শিক্ষার্থী, শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা


ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম! যেই নামটি শুনলেই অন্তরে প্রশান্তির ঝর বয়ে যায়।

ইনসাফ আমাদের দেশের গর্ব! এই সমাজের মানুষের চোখ খুলে মিডিয়া অঙ্গনে ইনসাফ দেখিয়েছে সঠিক পথ, অর্জন করে নিয়েছে আস্থার জায়গাটুকু।

আমাদের দেশে রয়েছে অগণিত গণমাধ্যম। কিন্তু সেগুলো আমাদেরকে সেটুকু আস্থা কি দিতে পারে যেটুকু ইনসাফ আমাদের কে দিয়েছে? ইনসাফ আমাদেরকে কে শিখেয়েছে অন্যায়-অত্যাচার এর বিরুদ্ধে কীভাবে দাঁড়াতে হয়!
দেশের ইসলামি অঙ্গনের যোদ্ধা ও যুদ্ধক্ষেত্র হিসাবে ইনসাফকে স্বাভাবিক ভাবে শুরু থেকেই চিনি আলহামদুলিল্লাহ। তবে তাঁদের ভেতরের ত্যাগ-তিতিক্ষা, বিপদসঙ্কুল পথযাত্রা ও বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সময়ে সময়ে জেনেছি সহপাঠী জিন্নুরাইন ভাই থেকে। চিনতে শিখেছি বিভিন্ন মিডিয়ার ধূর্তামিগুলো।

ইনসাফের প্রতি কৃতজ্ঞতা আদায় করে শেষ করা যাবে না। তাঁরা নিজেদের অর্থায়ণে নিজেদের শ্রম ও পরিশ্রমেই আজ এতোটা পথ এগিয়ে এসেছে। ইসলামি অনুশাসন মেনে তাঁরা এই অঙ্গনের সূচনা করেছে। যে সময়টা ইসলামি ঘরানার মানুষদের জন্য অনেক সংকীর্ণ ছিলো, জুলুমের আস্তাকুড়ে নিপতিত ছিলো, সেই হেফাজতে আন্দোলনের পরেই তাঁরা অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে এ পথের উদ্বোধন করেছে।

মিডিয়া একটা যুদ্ধক্ষেত্র। এখানে তথ্যসন্ত্রাস রয়েছে। এর মোকাবেলায় আমাদের ঢালস্বরূপ কিছুই ছিলো না। আজ ইনসাফের দেখানো পথে অনেক শক্ত অবস্থান হয়েছে আমাদের ইসলামি ঘরানার মানুষদের। আজ চাইলেই যে কেউ আমাদের নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারে না। সন্ত্রাসী- জঙ্গি ট্যাগ লাগানোর আগে হাজারভার ভেবে নেয়। এ প্রাপ্তির খাতটা ইনসাফের। এর প্রতিদান ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তা’আলা অনেক বাড়িয়ে দিবেন।

জালিম ও জুলুমের আওয়াজকে এবং মজলুমের অবস্থা ও পরিস্থিতিকে ইনসাফ সর্বদা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে ইনসাফকে আমি কখনই কারচুপি বা লুকোচুরির আশ্রয় নিতে দেখিনি। এজন্যই বলি, সর্বদা ইনসাফের সাথে আছি, থাকবো।

অন্তরের অন্তস্তল থেকে অভিনন্দন জানাই ইনসাফকে। শত বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ইসলামি ঘরানার হয়ে আসা একমাত্র এই মিডিয়া অর্ধযুগ অতিক্রম করে ৭ম বর্ষে পদার্পণ করেছে।

একইসাথে ধন্যবাদ জানাই পত্রিকার সম্পাদক শ্রদ্ধেয় সাইয়েদ মাহফুজ খন্দকার সাহেব, মারজান চৌধুরী ভাই, আলাউদ্দিন বিন সিদ্দিক ভাই, জিন্নুরাইন আব্বাছি ভাই সহ ইনসাফের সকল কর্মী ও পাঠকদেরকে।

আমি আশাবাদী, দেশে এরকম আরো ইসলামিক পত্রিকার জন্ম হবে, যারা ইনসাফের মত বাতিলের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবে। এ জন্য আমাদের সকলকে ইনসাফের পাশে থেকে সাপোর্ট করে যেতে হবে।

আমি মনে করি ইনসাফের অর্ধযুগ অতিক্রম ও ৭ বর্ষে পদার্পন একটা সূচনাবিন্দু মাত্র। এর পরিধি অনেক বিস্তৃত হবে।

ইনশাআল্লাহ, অদূর ভবিষ্যতে ইনসাফ আমাদেরকে আরো বড় বড় কাজ উপহার দিবে!