ইংল্যান্ডে কোয়ারেন্টাইন অমান্য করলেই ১ লাখ টাকা জরিমানা

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন করোনাভাইরাস মোকাবেলার ব্যবস্থা জোরদার করতে কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করতে যাচ্ছেন । এ বৈঠকে প্রবীণ নাগরিকদের রক্ষা করা, জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তিনি।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে কোবরা কমিটির জরুরি সভায় সভাপতিত্ব করবেন তিনি।

এই বৈঠকে ব্রিটিশ নাগরিকদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার বিষয়ে বিধি-নিষেধ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হবে। বিধিনিষেধ মেনে চলার ক্ষেত্রে ব্যর্থতা কিংবা ‘আইসোলেশন’ এবং কোয়ারেন্টাইন থেকে পলাতক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ১০০০ পাউন্ড বা বাংলাদেশি টাকায় ১ লাখ ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।

কোভিড -১৯-এ সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে জনসাধারণকে সর্বশেষ তথ্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর।

এর আগে পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড (পিএইচই) এর বরাতে সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছিল যে, যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের মহামারী আগামী বছরের বসন্তকাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে ৭০ লাখ ৯০ হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ওই বৈঠক করতে যাচ্ছেন বরিস জনসন।

রবিবার করোনাভাইরাসে ইংল্যান্ডে মৃতের সংখ্যা ৩৫ জনে পৌঁছেছে। এই প্রেক্ষিতে ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক জানিয়েছেন যে, ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের চার মাস পর্যন্ত বাসায় থাকতে বলা হতে পারে।

গত মাসে পাস হওয়া স্বাস্থ্য সুরক্ষা (করোনাভাইরাস) রেগুলেশনস ২০২০-এ বলা হয়েছে, করোনার কারণে বিচ্ছিন্ন (আইসলেশন) অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার। এক্ষেত্রে ‘প্রয়োজন হলে সশস্ত্র বাহিনী’ ব্যবহার করা হতে পারে। আসছে সপ্তাহগুলো থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।

বিধিনিষেধ মেনে চলার ক্ষেত্রে ব্যর্থতা কিংবা ‘আইসোলেসন’ থেকে পলাতক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ১০০০ পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।

বরিস জনসন এই বিচ্ছিন্নতার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করা এবং এক সদস্যের লক্ষণ দেখা দিলে পুরো পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করার নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি কথা বলবেন বলে জানা গেছে।

Leave a Reply