অমিত সাহার কক্ষে আবরারের আগেও অনেক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করা হয়েছে

অক্টোবর ১০, ২০১৯ অনলাইন ডেস্ক

শহীদ আববার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড মামলায় গ্রেফতারকৃত বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপসম্পাদক অমিত সাহার কক্ষে ইতিপূর্বে অনেক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করার পর এসব তথ্য উঠে আসে।

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার এজাহার থেকে অমিত সাহার নাম বাদ দেয়ায় ফুঁসে উঠেছিলেন শিক্ষার্থীরা। কারণ শেরেবাংলা হলের যে কক্ষে (২০১১ নং কক্ষ) আবরারকে ৬ ঘণ্টাব্যাপী পাশবিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়, সেই কক্ষেরই বাসিন্দা অমিত সাহা। অথচ তার নামই নেই মামলার এজহারে!

এর আগেও হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে অমিত সাহা অনেক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করেছিলেন বলে জানিয়েছে বুয়েটের কয়েকজন শিক্ষার্থী।

তবে সেদিন আবরারকে অমিত নিজে পিটিয়েছিল কিনা এ বিষয়ে শেরেবাংলা, সোহরাওয়ার্দীসহ বুয়েটের অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীদের ধারণা, অমিত সাহা যদি ঘটনাস্থলে নাও থাকেন তবু তিনি দোষী।

কারণ হিসেবে তারা বলেন, হত্যার দিন সকালে আবরার ঢাকায় ছিলেন না। কুষ্টিয়ায় মা-বাবার কাছে ছিলেন। আবরার তার রুমে ফিরেছে কিনা তার জানতেন না সিনিয়ররা। আর সে দায়িত্ব দেয়া হয় অমিত শাহকে। আর তিনি আবরার ফাহাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তা হত্যাকারীদের জানিয়েছেন। তবে ২০১১ নম্বর কক্ষে থাকা একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেছেন, সেদিন অমিত একটু দেরি করে ফোন পেয়েই আসেন। তিনি এসে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন আবরারকে। তার লেখালেখির বিষয়ে অনেক কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি স্টাম্প নিয়ে আবরারকে বেধড়ক পেটান।