ইনসাফ আমার, আমি ইনসাফের

সোহেল আহম্মেদ | বিশেষ প্রতিনিধি : ইনসাফ


ইনসাফ দেশের ইসলামী ঘরানার প্রথম অনলাইন পত্রিকা। ২০১৪ সালের ৫ মে এর যাত্রা শুরু হয়। এরপর বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে দেশের সিনিয়র হক্কানি উলামায়ে কেরামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় ইসলামী ধারার এ পত্রিকাটি ইতিমধ্যেই সফলতার অর্ধযুগ পার করেছে। সাথে সাথে দেশের ইসলামী মিডিয়া অঙ্গনে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তাও লাভ করেছে আলহামদুলিল্লাহ্।

পরিচিতি ও জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বাংলাদেশে ইসলামী মিডিয়ার উত্থান ও বিকাশের ক্ষেত্রেও বিস্তর ভুমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে এ পত্রিকাটি। ইনসাফ পরবর্তী দেশে যেসমস্ত ইসলামী অনলাইন মিডিয়ার আবির্ভাব হয়েছে সেগুলোর অধিকাংশই কোন না কোন ভাবে ইনসাফ দ্বারা অনুপ্রেরণা লাভ করেছে বলে আমার বিশ্বাস। বর্তমানে দেশে ইসলামী মিডিয়ার যে প্লাটফর্ম তৈরি হয়েছে এর পেছনেও দেশের প্রথম ইসলামী মিডিয়া হিসেবে ইনসাফের ভুমিকা অনস্বীকার্য।

আমার সৌভাগ্য যে আমি ২০১৮ সালের শুরুর দিকে ইনসাফের হাটহাজারী প্রতিনিধি জুনায়েদ আহমাদ ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ইনসাফের সাথে যুক্ত হই। একই বছরের শেষদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইনসাফ পরিবারের একজন সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করি। সাংবাদিকতা যতটুকু জানি তার সবটুকুই ইনসাফের অবদান। ইনসাফের দায়িত্বশীলদের অত্যন্ত স্নেহপূর্ণ ব্যবহার ও আন্তরিক সহযোগিতা আমাকে আমার কাজের ক্ষেত্রে সর্বদা উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যুগিয়ে আসছে। এক্ষেত্রে ইনসাফ সম্পাদক ও প্রকাশক সাইয়েদ মাহফুজ খন্দকার, নির্বাহী সম্পাদক মারজান হুসাইন চৌধুরী ও বার্তা সম্পাদক আলাউদ্দিন বিন সিদ্দিকের নাম উল্লেখ না করলেই না হয়। উনাদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ।

বর্তমানে আমি এ পত্রিকাটিতে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দায়িত্ব পালনকালে প্রায় সময়ই আমার বিভিন্ন ভুল ত্রুটি ও অবহেলা প্রকাশ পেলেও কর্তৃপক্ষ এগুলোকে উদারতার সাথে মেনে নিয়েছেন। ছোটখাটো কাজেও অনেক প্রশংসা করেছেন, বাহবা দিয়েছেন। যেকারণে বিগত দুই-আড়াই বছরে ইনসাফের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এখন ইনসাফ আমার ও আমি ইনসাফের।

প্রাণপ্রিয় এ অনলাইন পত্রিকাটি নিয়ে আমার প্রত্যাশা, অচিরেই এটি অনলাইন ভার্সনের পাশাপাশি ‘ইনসাফ টিভি’ ও ‘দৈনিক ইনসাফ’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে এবং ইসলামী মিডিয়া জগতে একটি বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ্।