বুলবুলের পর ধেয়ে আসবে ঘূর্ণিঝড় পবন এবং উম্পুন

নভেম্বর ৬, ২০১৯ | অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আটটি দেশ। দেশগুলো হচ্ছে: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ওমান।

বঙ্গোপসাগর আর আরব সাগরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখার প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০০৪ সালে। ভারত, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ওমান, মায়ানমার ও থাইল্যান্ড- এই আট দেশ মিলে ৬৪টি নামের তালিকা তৈরি করা হয়।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, ঝড়ের নাম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা হয়, যাতে সেটি ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক বা সামাজিক ভাবে কোনরকম বিতর্ক বা ক্ষোভ তৈরি না করে।

আঞ্চলিক এই আটটি দেশ একেকবারে আটটি করে ঝড়ের নাম প্রস্তাব করেছে। প্রথম দফায় মোট ৬৪টি নাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আট দেশ মিলে ৬৪টি নামের তালিকা বানালেও ঘূর্ণিঝড় হওয়ার পর নাম ব্যবহারের দায়িত্ব ভারতের উপর। এখনও সেই ট্র্যাডিশন চলছে।

নাম পাওয়া প্রথম ঘূর্ণিঝড় ‘অনিল’। নাম রেখেছিল বাংলাদেশ। আছড়ে পড়েছিল গুজরাটে। তারপর এই তালিকা থেকেই পর্যায়ক্রমে এক একটি ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়া হয়েছে।

তবে, সেই তালিকা এ বার শেষের পথে। কিয়ার (মিয়ানমার), মহা (ওমান), বুলবুল (পাকিস্তান)-এর পর আর বাকি মাত্র দুটি নাম- পবন (শ্রীলঙ্কা) এবং উম্পুন (থাইল্যান্ড)।

বিশ্ব আবহাওয়ার সংস্থার এই প্যানেলে আট দেশের সাথে বর্তমানে আরো পাঁচ দেশ যুক্ত হয়েছে। দেশগুলো হলো- ইরান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, কাতার।

জানা গেছে, ১৩ দেশের মিলে আবারো একটা তালিকা বানিয়ে সংশ্লিষ্ট সমস্ত দেশকে পাঠানো হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে দু’বছর সময় লেগে যাবে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন নয়াদিল্লি আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঘূর্ণিঝড় সতর্কীকরণ বিভাগের প্রধান মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র।