পকেটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার সেই ৩ পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

নভেম্বর ২৯, ২০১৯ নিজস্ব প্রতিনিধি

পকেটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ঘটনায় টাঙ্গাইলে গণধোলাইয়ের শিকার সেই ৩ পুলিশ সদস্য ও একজন সোর্সের ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল আলম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে শুক্রবার সকালে পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করে।

রিমান্ডকৃতরা হলেন- মির্জাপুর থানার বাশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রিয়াজুল ইসলাম, কনস্টেবল গোপাল সাহা, রাসেল ও পুলিশের সোর্স হাসান।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সখীপুর থানার এসআই আয়নুল হক বাদী হয়ে পুলিশের ওই ৩ সদস্য ও সোর্সসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় পলাতকরা হলেন- ওই ফাঁড়ির কনস্টেবল হালিম ও মোজাম্মেল এবং পুলিশের সোর্স রাজাবাড়ির আল আমীন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সখিপুর উপজেলার গাবিলার বাজারে গিয়ে হতিয়া রাজাবাড়ির ভাতকুড়াচালার ফরহাদ মিয়ার ছেলে বজলুকে পকেটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করে পুলিশের এক এএসআইসহ তিন সদস্য।

এ সময় স্থানীয় জনতা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশ সদস্যদের আটক করে রাজাবাড়ি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের গণধোলই দিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে সখিপুর এবং মির্জাপুর থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এরআগের দিন একই কায়দায় এএসআই রিয়াজ তার সহযোগীদের নিয়ে মির্জাপুর থানার টান পলাশতলী গ্রামের বাছেদ মিয়ার ছেলে আনোয়ারের কাছ থেকে এক লাখ টাকা হাতিয়ে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।