ইনসাফ সত্যের প্রতিনিধি, নিপীড়িত মানুষের বন্ধু !

মুহাম্মাদুল্লাহ আফিফ | টঙ্গী, মধুমিতা


বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসলামি অঙ্গনের নিজস্ব মিডিয়ার প্রয়োজন অপরিসীম। সত্যের পক্ষে হকের আওয়াজকে উড্ডীন করতে, মিথ্যার আড়ালে লুকিয়ে থাকা কালো ছায়াকে প্রকাশ করতে ইসলামি মিডিয়ার খুবই প্রয়োজন! মিডিয়া সন্ত্রাসের মোকাবিলায় নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নিজেদের স্বয়ংসম্পূর্ণ মিডিয়ার কোনো বিকল্প নেই।

বর্তমান এই ইন্টারনেটের যুগে ইসলামি অঙ্গনে মিডিয়ার খুবই অভাব। মিডিয়ার প্রয়োজন আজ সকলেই অনুধাবন করছে। আজ সত্য প্রকাশ হয় না। পশ্চিমাপন্থী মিডিয়ার নৈরাজ্যে, মিথ্যের উচ্চবাক্যে সত্য আজ পদদলিত। মিথ্যা আর গুজবে জড়িয়ে আছে আমাদের হুজুগে জাতি। সর্বত্র মিথ্যার সয়লাব। বাতিলপন্থীদের মিডিয়ার নৈরাজ্য।

এমন কঠিন মুহুর্তে অর্ধযুগ আগে বাংলাদেশে ইসলামি অঙ্গনের মিডিয়ার সূচনা হয়েছে ইনসাফ টোয়েন্টিফোরের মাধ্যমে। ইনসাফ শব্দের অর্থ হলো ন্যায়। ন্যায় পরায়ণ। সত্যকে সত্য আর মিথ্যা কে মিথ্যা বলাটাই ইনসাফ। সত্যের প্রদীপ, মিথ্যার বুকে লুকিয়ে থাকা কালো ছায়াকে প্রকাশ করার নামই হলো ইনসাফ।

আমি সর্বদা দেখি তারা সত্য প্রকাশ করছে, মিথ্যার বাধ ভেঙে সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছে। ইনসাফের প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে যায় পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক সাইয়েদ মাহফুজ খন্দকার স্যারের কারণে। আমাদের মতো ছাত্রদের আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়া সরল মনের মানুষ তিনি। সেলিব্রিটি হওয়া সত্বেও তিনি একেবারেই নিরহংকারী। কাজেই ব্যাস্ত থাকেন সদা। ভুলগুলো হাসিমুখে ধরিয়ে দিতে পারেন তিনি সবার আগে। ভালোমন্দ খোজ রেখে শিখিয়ে দেন তুমিও অপরকে ভালোর পথে এভাবে নিয়ে আসো।তাঁর কথাগুলো প্রাণে গেঁথে রাখার মত। তাঁর মুরুব্বী হলেন হজরত জুনাইদ বাবুনগরী হুজুর। হুজুরকে খুবই মুহব্বত করি।তিনি ইনসাফেরও মুরুব্বী। আর মুরুব্বীদের কথা মত নিজেদের কে তৈরী করে নেয় ইনসাফের সকল কর্মী। তাদের প্রতি প্রাণঢালা ভালোবাসা, ও অভিনন্দন।

আমি ইনসাফ কে দেখেছি তারা নিউজে জনগণকে কখনই বিভ্রান্ত করে না। কারচুপির আশ্রয় নেয় না। কারো এজেন্ডা হয়ে কাজ করে না। দ্বীনকে প্রাধান্য দেয়। প্রাধান্য দেয় মজলুম জনগোষ্ঠীকে! অসহায় নিপীড়িত মানুষের অবস্থানকে!

আমি দেখেছি তাঁরা মুসলিম প্রতিটা প্রান্তের মজলুমদের খবরাখবর খুব দ্রুগতিতে প্রকাশ করছে। বিশ্বের প্রতিটি স্থানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাদের থেকেই প্রকাশ হতে দেখেছি।

আমি মনে করি অন্য কোনো পত্রিকার খবর পড়ে বিভ্রান্ত হওয়া থেকে ইনসাফ কে পড়া অনেক ভালো। শত সংকীর্ণতা থাকার পরেও তাঁদের যাত্রা মন্থর হয়নি! সত্যের পক্ষের কণ্ঠধ্বনি ক্ষীণ হয়নি!!
আজ দেখছি তুরস্কে আনাদোলু এজেন্সি শতবর্ষ উদযাপন করছে। ইনশাআল্লাহ আপনারাও করবেন। অর্ধযুগ থেকে পূর্ণযুগ এরপরে অর্ধশতবর্ষ থেকে শতবর্ষেও এগিয়ে যাবে ইনসাফ।
দোয়া করি, ইনসাফ ছড়িয়ে পড়ুক বিশ্বের প্রতিটা কোনায়।