এবার সিলেটের ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার মহিলা কলেজের ভবন রড ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে।

শনিবার সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া ঘটনাস্থলে পৌঁছে এর সত্যতা পেয়েছেন।

সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন কলেজের কাজ শনিবার সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে সাংসদ নতুন ভবনের একাংশ (পিলার) ভেঙে দেখতে পান, রড ছাড়াই নির্মাণ হচ্ছে বহুতল ভবন।

তিনি সংশ্লিষ্ট ৩ জনকে হাতেনাতে আটক করলেও এক ঠিকাদারসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়।

সংসদ সদস্য এহিয়া বলেন, রড তো নেই-ই, বাঁশ পর্যন্ত দেয়া হয়নি পিলারে। এর চেয়ে বড় দুর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট আর কী হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নির্মাণাধীন চারতলা ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় কক্ষের দেয়ালের পিলার ও লিন্টার রড ছাড়াই ঢালাই করা হয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, ভবনের অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হয়েছে নিম্নমানের মালামাল। কাজে এমন অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর তিন ও চারতলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শাহ আলম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহ আলম ও তার দুই সহযোগী পংকি ও লোকমানকে আটক করে ওসমানীনগর থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

এদিকে, ভবন তদারকিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের উপসহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম দাবি করেন, কোনো অনিয়ম হচ্ছে না। সব ঠিকঠাক চলছে।

কলেজ অধ্যক্ষ আবদুল মুকিত আজাদ জানান, সম্প্রতি ভবন নির্মাণে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এখন তো হাতেনাতে প্রমাণ মিলেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিলেটের উপপরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হবে বলে জানান তিনি।