ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আযহার ১৯২তম জামাত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত দেশের বৃহত্তম এই জামাতে ইমামতি করেন শহরের মারকাস মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা হিফজুর রহমান খান।

শোলাকিয়া মাঠ কমিটির সদস্য সচিব ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল কাদের জানান, কোরবানি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ঈদুল আজহায় মুসল্লির উপস্থিতি কম থাকে। এরপরও লক্ষাধিক মুসুল্লির উপস্থিতিতে ১৯২তম ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাসহ শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের মুসল্লি এবার নামজে অংশ নিয়েছেন।

জামাত শুরুর আগে ঈদগাহ কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী সমাগত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে শান্তিপূর্ণ ঈদ জামাত আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে তিনি মাঠে আসা লাখো মুসল্লিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও জেলা পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ মুসল্লিদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। জামাত শেষে মোনাজাতে ইমাম মাওলানা হিফজুর রহমান খান বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশের নিরাপত্তা, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। জীবিত মৃত সকলের নাজাত ও হেদায়েত কামনা করেন। পাশাপাশি পশু কোরবানি কবুল করার জন্যও সৃষ্টিকর্তার প্রতি প্রার্থনা জানান।

অন্যদিকে ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছিল চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিপুল সংখ্যক পুলিশ এবং এপিবিএন সদস্য ছাড়াও দুই প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাব মোতায়েন ছিল। পুরো মাঠ নজরদারির জন্য দু’টি ড্রোন উড়ে বেড়িয়েছে শোলাকিয়ায়। বসানো হয়েছিল আর্চওয়ে, ওয়াচ টাওয়ার ও তল্লাশি চৌকি। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে মুসল্লিদের তল্লাশি করে ঈদগাহে ঢুকতে দেওয়া হয়।

জামাতে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম, উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাজমুল ইসলাম সোপান, পৌর মেয়র মাহমুদ পারভেজসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেন।