কওমী মাদরাসাগুলো জঙ্গি আস্তানা নয়, মাদরাসা ছাত্ররাও জঙ্গি নয়: আইজিপি

July 21, 2016

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট 


কওমী মাদরাসাগুলো জঙ্গি আস্তানা নয় এবং মাদরাসা ছাত্ররাও জঙ্গি নয় বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ প্রধান এ কে এম শহীদুল হক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীতে একটি অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আইজিপি বলেন, দেশের কওমী মাদরাসাগুলো জঙ্গি আস্তানা নয়। মাদরাসা ছাত্ররাও জঙ্গি নয়।

তিনি বলেন, শান্তির ধর্ম ইসলামকে ধ্বংসের জন্য ষড়যন্ত্রে নেমেছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মুসাদ।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, 29 October 2018


আমাদেরকে উলামায়ে কেরামের পরামর্শ মেনে চলতে হবে: মাওলানা আহমদ লাট
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৯
সোহেল আহম্মেদ, ইজতেমা ময়দান থেকে


ভারতের প্রখ্যাত আলেম ও দায়ী, বিশ্ব তাবলীগের অন্যতম শীর্ষ মুরব্বী মাওলানা আহমদ লাট বলেছেন, দাওয়াতের মেহনত করনেওয়ালাদের সাথে উলামায়ে কেরামও থাকতে হবে এবং আমাদেরকে উলামায়ে কেরামের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। উলামায়ে কেরাম আমাদের ভুল ধরিয়ে দিলে তা স্বীকার করে নিতে হবে। সাহাবায়ে কেরামকে উলামায়ে কেরাম কোন ভুল ধরিয়ে দিলে তারা তা অকপটে স্বীকার করে নিতেন ও মেনে নিতেন। যে ব্যাক্তি নিজের ভুল স্বীকার করে নেয় আল্লাহ্ তাকে বড় বানিয়ে দেন। আর ভুল স্বীকার করে নেওয়া বড়দেরই গুণ।

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) টঙ্গীর বিশ্ব ইজতিমা ময়দানে বাদ মাগরিব বয়ানে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা আহমাদ লাট বলেন, হযরত উমর রাদিআল্লাহু তার খেলাফতের জামানায় এক বিবাহিত অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে ব্যাভিচারের শাস্তি হিসেবে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করার নির্দেশ দিয়ে ছিলেন। এ খবর শুনে তৎকালীন সময়ের প্রধান মুফতী হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদিআল্লাহু আনহু এ ব্যাপারে আপত্তি করেন এবং এটাকে ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেন। খলিফা উমর রাদিআল্লাহু আনহু একথা শুনে ভুল সম্পর্কে জানতে চান। তখন মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদিআল্লাহু বলেন, এ ঘটনার সাক্ষী মাত্র একজন মহিলা অথচ শরিয়তে একজন মহিলার সাক্ষী অসম্পূর্ণ। দ্বিতীয়ত, মহিলার পেটে যে শিশু রয়েছে সে নিষ্পাপ। মহিলাকে পাথর মেরে হত্যা করলে ওই শিশুটি বিনা দোষে মারা যাবে যা শরিয়ত সমর্থন করেনা। খলিফা উমর রাদিআল্লাহু আনহু একথা শুনে নিজের ভুল বুঝতে পারেন এবং মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদিআল্লাহু আনহুর কথা মেনে নেন।

তিনি আরো বলেন, আল্লাহ্ তাআ’লা আমাদের কামিয়াবির জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে দ্বীন পাঠইয়েছেন আর এই দ্বীনকে মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেহনত করেছেন। এমন মেহনত করেছেন যে মেহনতের দ্বারা আল্লাহ্ তাআ’লা খুশি হয়ে গেছেন এবং ছয়শত বছরের জেহালত বা গোমরাহীর অন্ধকারকে দূর করে দিয়েছেন। তিনি এমন মেহনত করেছেন যে মেহনতের দ্বারা আল্লাহ্ তাআ’লা আবু কুহাফার মত সাধারণ মানুষের ছেলেকে সিদ্দিকে আকবর বানিয়ে দিয়েছেন এবং খলিফাতুল মুসলিমীন বানিয়েছেন। আবু বকর রাদিআল্লাহু আনহু এ মর্যাদা কিভাবে পেলেন? ইসলাম কবুল করা আর ইসলাম মানার দ্বারা। আর উনার কাছে ইসলাম পৌঁছেছে দাওয়াতের দ্বারা।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দাওয়াতের মেহনত এত পরিমান করেছেন যার ফলশ্রুতিতে আল্লাহ্ তাআ’লা খাত্তাবের বেটা উমর রাদিআল্লাহু আনহুকে সারা বিশ্বের শাসক বানিয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম এই মেহনতের দ্বারা উভয় জাহানের সুখ শান্তি ও সফলতা লাভ করেছেন। তাই আমরাও যদি হক আদায় করে এই দাওয়াতের মেহনত করি তাহলে আল্লাহ্ তাআ’লা আমাদেরকেও উভয় জাহানের সুখ শান্তি ও সফলতা দান করবেন।

মাওলানা আহমাদ লাট আরো বলেন, কোন একসময় দ্বিতীয় হযরতজি হযরত মাওলানা এনামুল হাসান রাহিমাহুল্লাহ্ কাকরাইল মসজিদে বলেছিলেন, দাওয়াতের মেহনত বাংলাদেশের মানুষের জন্য নিয়ামত। আর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলে আল্লাহ্ তাআ’লা নিয়ামতকে বাড়িয়ে দেন। নিয়ামতের না-শোকরী করলে আল্লাহ্ তাআ’লা নিয়ামত ছিনিয়ে নিয়ে আযাব দেন। তাই বাংলাদেশের মানুষের উচিৎ এ দাওয়াতের মেহনতে নিজেদের জান মাল ও সময় ব্যয় করার মাধ্যমে এই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা।