করোনার অজুহাতে কুরবানী বন্ধের সিদ্ধান্ত চরম ধৃষ্টতার পরিচয়: জুনায়েদ আল হাবীব

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে কুরবানী বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া চরম ধৃষ্টতার পরিচয়, সুতরাং ভাইরাসের অজুহাত দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা মানে ধর্মীয় বিধান পালনে অবৈধ হস্তক্ষেপ করা। অফিস আদালত ও ব্যবসা-বানিজ্য, বাজার-বন্দর সব কিছু নিজ গতিতে চলছে,

কোন বাধ্যবাধকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। তাহলে আল্লাহর হুকুম পালনে ও ইবাদত-বন্দিগীতে কেন এতো বাধ্যবাধকতা? অতএব কুরবানীর মতো ইবাদতেও কোন বাধ্যবাধকতা বা কোন শর্ত আরোপ না করে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে সুন্নাত তরিকায় কুরবানী করতে দেওয়া হোক। এতে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হবে এবং আজাব গজব থেকেও মুক্তি হবে, ইন শা আল্লাহ।

রবিবার (১২ জুলাই) সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, কুরবানী ইসলাম ধর্মের একটি অন্যতম এবাদত, যা সামর্থবান মুসলমানদের উপর ওয়াজিব। হযরত ইবরাহীম আঃ আল্লাহ তা‘আলার হুকুম পলনার্থে নিজ পুত্র ইসমাঈলকে কুরবানী করতে ছুড়ি চালিয়ে আল্লাহর প্রতি বান্দার পূর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। খাতামুন্নাবিয়্যীন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া-সাল্লাম থেকে এই পর্যন্ত মুসললমানগণ কুরবানী করে আসছে এবং এ ধারা কেয়ামত পর্যন্ত চলবে।

তিনি বলেন, পূর্ণ আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ কুরবানীর বিকল্প কোন এবাদত নেই। ঈদুল আজহার দিন আল্লাহ তাআলার কাছে সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হলো পশু কুরবানী। পশু কুরবানীর পরিবর্তে দান-সদকা বা অসহায়দের আর্থিক সহায়তা প্রদানে কোন অবস্থাতেই কুরবানীর ওয়াজিব আদায় হবে না।